বাংলার উপর খবদারিতে রাখার জন্য রাজ্য পুলিশের ব্যাপক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তবে এবার সেই রাজ্য পুলিশের উপরই ভরসা করতে হচ্ছে তাঁদের। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি বড় সংখ্যায় রাজ্য পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে ৪০ হাজার ৯২৮ জন পুলিশকর্মী দায়িত্বে থাকবেন, সঙ্গে থাকবে ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশের উপরেই শেষ পর্যন্ত নির্ভর করছে কমিশন।

উত্তরবঙ্গ
দার্জিলিং — ১,১৭০ জন
কালিম্পং — ৬২৭ জন
আলিপুরদুয়ার — ১,১৫৯ জন
জলপাইগুড়ি — ১,৪৬৭ জন
কোচবিহার — ২,৩৭০ জন
শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট — ১,২৯০ জন
মালদহ — ২,৮১৮ জন

মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর (দুই পুলিশ জেলা)
মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা — ৪,২১৬ জন
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা — ১,৫৫০ জন
মোট (মুর্শিদাবাদ) — ৫,৭৬৬ জন (সবচেয়ে বেশি)
ইসলামপুর পুলিশ জেলা — ১,১১৯ জন
রায়গঞ্জ পুলিশ জেলা — ১,০০৪ জন
মোট (উত্তর দিনাজপুর) — ২,১২৩ জন

জঙ্গলমহল ও সংলগ্ন এলাকা
বীরভূম — ৩,২৪৮ জন
বাঁকুড়া — ৩,১২৭ জন
পুরুলিয়া — ৩,০০৫ জন
ঝাড়গ্রাম — ১,১০৮ জন
দুই মেদিনীপুর ও শিল্পাঞ্চল
পূর্ব মেদিনীপুর — ৩,৯৮১ জন
পশ্চিম মেদিনীপুর — ৩,৩২৭ জন
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট — ৩,১২৭ জন

প্রথম দফার ভোটকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force), রাজ্য পুলিশ (State Police) এবং স্থানীয় প্রশাসন (Local Administration)। এই তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়ানো হচ্ছে নজরদারি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad), জঙ্গলমহল (JungleMahal) এবং উত্তরবঙ্গের (North Bengal) বিভিন্ন জেলাকে চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনওরকম অশান্তি বা অনিয়ম এড়াতে পুরো ভোট প্রক্রিয়াজুড়ে কঠোর নজরদারি চালানো হবে।

–

–
–
–

