১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যালয় ঘিরে বিতর্ক। কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়টি আদৌ সাধারণ মানুষের কাজের জন্য নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতো, সেই প্রশ্ন তুলে এদিন এলাকায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। একপর্যায়ে গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা অফিসের ভেতরেও ঢুকে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ওই অফিসের ভেতরে মেক-আপ রুম এবং খাট ছাড়াও কিছু আপত্তিকর সামগ্রী ও ম্যাসাজ মেশিন রয়েছে। একই সঙ্গে প্রোমোটারদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ও চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা সংবলিত একটি ডায়েরিও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করেছে বিরোধী শিবির।
বিজেপির অভিযোগ, পুরনিগমের ওই জনপরিষেবামূলক কার্যালয়কে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল। উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথির মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও স্পষ্ট হচ্ছে বলে তাদের দাবি। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ওটি একটি সরকারি কার্যালয় এবং সেখানে স্বাভাবিকভাবেই ফাইল-পত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র রাখা থাকে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, আসন্ন বর্ষার কথা মাথায় রেখে সেখানে কিছু ত্রাণ সামগ্রী মজুত করা হয়েছিল এবং সম্প্রীতির ইদ উৎসবের কারণে কিছু নতুন পোশাকও রাখা ছিল। কার্যালয়ের ভেতরে আপত্তিকর কিছু থাকার দাবিকে তিনি স্রেফ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উষ্মা প্রকাশ করেন। উত্তেজনার এই সময়ে কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য কলকাতা পুরনিগমে একটি পূর্বনির্ধারিত সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন। আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষ্যে পুরনিগমের তরফে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযানের সূচনা পর্বে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতেরর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়।
আরও পড়ুন- নিয়োগ মামলা: ইডি দফতরে টানা ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, তদন্তে সহযোগিতার বার্তা অভিষেকের
_
_

_

_

_

_

_

_

