লাদাখ (Ladakh) পেল নতুন ৫ জেলা। ফলে এখন লাদাখে জেলার সংখ্যা বেড়ে হল ৭। তবে নতুন জেলাগুলিতে প্রশাসনিক ভারসাম্য নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মুসলিম বহুল কার্গিল ৮০টি গ্রাম নিয়ে বৃহত্তম জেলায় পরিণত হয়েছে। যেখানে বৌদ্ধ অধ্যুষিত লে-তে রয়েছে ৪৪টি গ্রাম।

সরকারি গেজেট অনুযায়ী, নতুন জেলাগুলি হল শাম, চাংথাং, নুব্রা, জান্সকার ও দ্রাস। ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে লাদাখের জনসংখ্যা ২ লক্ষ ৭৪ হাজার। তবে কার্গিলের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে উপত্যকার আইনজীবী মুস্তাফা হাজি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন, ‘একটি জেলায় ৮০টি গ্রাম থাকা কি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাকে চিহ্নিত করার ইঙ্গিত নয়?’ এদিকে মিম প্রধান তথা সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়েসি দাবি করেছেন, এই পুনর্বিন্যাস বৌদ্ধ–মুসলিম যৌথ রাজত্ব আন্দোলন ভাঙার কৌশল। তাঁর মতে, পাঁচটি বৌদ্ধ অধ্যুষিত, দুটি মুসলিম অধ্যুষিত।
কেন এই প্রশাসনিক রদবদল? উপ রাজ্যপাল জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হল ‘গ্রাসরুট গভর্ন্যান্স’ বা তৃণমূল স্তরে শাসনব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা। এতদিন দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রশাসনিক কাজে লেহ বা কার্গিলে আসা সাধারণ মানুষের জন্য ছিল যথেষ্ট কষ্টসাধ্য।

- প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ: ক্ষমতা বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণকে ছড়িয়ে দেওয়া।
- দ্রুত পরিষেবা: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এবং জনপরিষেবা যাতে প্রত্যন্ত গ্রামে দ্রুত পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করা।
- কর্মসংস্থান: নতুন জেলা হওয়ার ফলে সেখানে পরিকাঠামো উন্নয়ন, নতুন অফিস এবং আনুষঙ্গিক কারণে কর্মসংস্থান ও উদ্যোগপতি হওয়ার সুযোগ বাড়বে।
–

–

–

–

–
–
–
