Thursday, June 11, 2026

আজ ফের পোস্টাল ব্যালট মুভমেন্টের সম্ভাবনা, রাতের পর সকালেও ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে কুণাল

Date:

Share post:

স্ট্রং রুমে কারচুপির অভিযোগে সরব তৃণমূল কংগ্রেস (TMC), বৃহস্পতিবার রাতের পর শুক্রবার সকালে ফের ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে গেলেন বেলেঘাটা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সিসিটিভি মনিটরে চোখ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেল তাঁকে।  সংবাদপত্রের মুখোমুখি হয়ে কুণাল বলেন, বিকেলে আরও পোস্টাল ব্যালট এখানে আসার কথা শোনা যাচ্ছে। তাই আমাদের প্রার্থী এবং তাঁদের ইলেকশন এজেন্টরা কড়া নজর রাখবে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রয়োজনে মিডিয়াকেও (যাদের কাছে কমিশনের কার্ড রয়েছে) সিসিটিভি দেখার অনুমতি দেওয়া হোক বলেও দাবি করেন তিনি।

ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম (EVM)রাখা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গা থেকে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে এসে এখানেই আলাদা করার কাজ চলছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের যে প্রতিনিধিরা রয়েছেন তাদেরকে ওই জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জোড়া ফুলের দুই প্রার্থী শশী পাজা ও কুণাল ঘোষ পৌঁছলে প্রথমে তাঁদের আটকানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তরফে বলা হয় কোনও মুভমেন্ট হয়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে যাওয়ায় তারা বলেন পোস্টাল ব্যালট আলাদা করার কাজ চলছে। এইভাবে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সরিয়ে চুপিসারে কমিশনের কাজের তীব্র প্রতিবাদ করে রাজ্যের শাসক দল। রাতের ধর্নার পর এদিন সকালে ফের ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছে যান কুণাল (Kunal Ghosh)। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে থেকে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেলেঘাটার প্রার্থী বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ নিয়ে কমিশনের জ্বলন হয়েছে আর EC যাদের হয়ে কাজ করে সেই বিজেপিরও জ্বলন হয়েছে। আজ যখন ব্যালট সংক্রান্ত মুভমেন্ট হবে তখন আমাদের উপস্থিত থাকা দরকার।’

বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের সিইও জানিয়েছিলেন, ৩০ এপ্রিল সকালেই নাকি মেইল করে স্ট্রং রুমের কর্মসূচি ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেসসহ সব রাজনৈতিক দলকে বলা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে কুণালের মন্তব্য, ‘CEO মিথ্যা কথা বলেছেন। ওনার ডিও ভুল স্বীকার করেছেন। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন মনোজ আগরওয়াল। প্রথমে বলা হয়েছিল কোনও মুভমেন্ট হয়নি। যখন স্ক্রিনে দেখা গেছে তখন সেটা ধরা পড়ে গেছে। আমার বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের টিম এখানে তো ছিল। তাদের কেন বলা হলো না? আমরা আসার পর প্রথমে ভেতরে যেতে দিলেন না কেন? শুনছি এখানে নাকি কলকাতার বাইরের ব্যালটও আসবে। এই কেন্দ্রে সেগুলো আলাদা করার পর আবার সড়কপথে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই পোস্টাল ব্যালটের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

 

Related articles

সই জাল মামলায় স্বস্তি পাবেন কি অভিষেক, আজ নজর হাইকোর্টে 

বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল মামলায় সিআইডির (CID) অতিসক্রিয়তার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অভিষেক...

আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ 

মহানগরীর হকারদের জন্য আপাতত কয়েকদিনের স্বস্তি।আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত হকার উচ্ছেদের (Hawker Eviction) উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করল...

মেসিকাণ্ডে সাময়িক স্বস্তি অরূপের! ‘প্রভাবশালী’ তত্ত্বে সুপ্রিম কোর্টের হুঁশিয়ারি শতদ্রুর 

‘মেসিকাণ্ডে’ সাময়িক স্বস্তি পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এই মুহূর্তে...

আনইনস্টল! আপডেট! মদন মিত্রর পোস্ট ঘিরে জল্পনা

বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের পক্ষে ৬৪ বিধায়কের সমর্থন পেয়েছেন বলে বুধবার দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬৫ তম বিধায়ক...