বাংলার নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয় পেয়ে প্রথমবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে বিজেপি (BJP)। ক্ষমতার হাত বদল হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে অ্যাকশন! ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কোথাও চলছে বুলডোজার, কোথাও হিংস্রতার ছবি, কোথাও আবার মৌখিকভাবেই বিরোধীদের কুরুচিকর আক্রমণ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের পরেই কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) বিভিন্ন পদমর্যাদার একাধিক পুলিশের রদবদল। ডিসি থেকে শুরু করে অফিসার ইনচার্জ, সাব-ইন্সপেক্টর ও একাধিক অফিসার বদলি ঘিরে চাঞ্চল্য তুঙ্গে। প্রথম ধাপে ৯৩ জনের বদলি হয়েছে। এঁদের প্রায় সকলেই ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (Welfare Association) হয়ে কাজ করতেন।
লালবাজার সূত্রে জানা গেছে, বেশিরভাগ অফিসারকেই বদলি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গে। মূলত কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, আলিপুরুদুয়ারের পাঠানো হচ্ছে। সুন্দরবন লাগোয়া এলাকা বা পুরুলিয়াতেও কলকাতা পুলিশের (KP) একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তাকে বদলি করা হয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় নবান্ন সভাঘরে সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড়টায় বিধায়ক ও জেলাশাসকদের সঙ্গেও আছে বৈঠক। বিকালে ৫ টায় ডিজিপি এবং পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলবেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতৃত্ব যতই সকলকে শান্ত থাকার কথা বলুন না কেন রাজ্যে ইতিমধ্যেই ভোট পরবর্তী হিংসায় ৬ জন তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং এই ধরনের হিংসার ঘটনা রুখতে কী নির্দেশ বা বার্তা দেন তিনি সেদিকে নজর রয়েছে প্রশাসনিক মহলের। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিবের সঙ্গে এক দফা বৈঠক সেরেছেন শনিবার।স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশ কমিশনরারের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে বলে জানা গেছে।

–

–

–

–

–

–
–
–

