রাজ্যের রাজনৈতিক আবহে ফের চর্চার কেন্দ্রে পুর নিয়োগ মামলা। ভোটের ফল ঘোষণার পর এই প্রথম ইডির মুখোমুখি হলেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু (Former Minister Sujit Basu)। সোমবার (Monday) সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex in Salt Lake) হাজিরা দেন তিনি। সকালেই আইনজীবী ও ছেলে সমুদ্র বসুকে (Samudra Basu) সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে (ED office) যান তিনি।
এর আগেও একাধিকবার সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। এমনকি শ্রীভূমির বাড়ি, অফিস এবং তাঁর ধাবাতেও তল্লাশিও চালানো হয়। তবে এর আগেও নির্বাচনী সময়ে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই সময় নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গত ১ মে ইডির মুখোমুখি হন সুজিত (Former Minister Sujit Basu)। জানা গিয়েছে এদিন দ্বিতীয় দফার জিজ্ঞাসাবাদে তাঁকে কিছু নতুন নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল।

উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম এবং হালিশহর সহ একাধিক পুরসভায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। যোগ্যতার বদলে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছিল বেশ কয়েকজনকে। দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্বে দীর্ঘদিন থাকার কারণে সেই সময়কার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুজিত বসুর কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে ধৃত প্রোমোটার অয়ন শীলের (Promoter Ayan Sheel) কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু নথি ও তথ্যের ভিত্তিতেই সুজিত বসুর নাম সামনে এসেছে দাবি তদন্তকারীদের।
আরও খবর: সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা সিধু-কানুর মূর্তি ভাঙার তীব্র নিন্দা অভিষেকের, অবিলম্বে দোষীদের শাস্তির দাবি

যদিও শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, তিনি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন এবং সিবিআইয়ের (CBI) চার্জশিটে তাঁর নাম নেই। তবে এদিন ইডি দফতরে ঢোকার সময় কোনও মন্তব্য করেননি সুজিত বসু।

–

–

–

–
–
–

