মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন ৪৫ দিনের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার জমি কাঁটাতার দেওয়ার জন্য বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় একদিকে মাঠে নেমে পড়েছে জেলা প্রশাসনগুলি। এবার মাঠে নামলেন বিজেপির নেতা, মন্ত্রীরাও। রবিবারই বনগাঁ (Bangaon) সীমান্তের অরক্ষিত এলাকা ঘুরে দেখলেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জমি জট কাটানোর আশ্বাসও দিলেন।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বাংলার যে অংশগুলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর তার মধ্যে অন্যতম উত্তর চব্বিশ পরগণার বনগাঁ সীমান্ত। বনগাঁর সেই বিতর্কিত পেট্রাপোল সীমান্তের (Petrapole border) কালিয়ানি গ্রামে রবিবার যান অশোক কীর্তনিয়া। প্রাথমিকভাবে মন্ত্রী জানান, জেলাশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখানে কিছু জটিলতা রয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জমি অধিগ্রহণের। বনগাঁ (Bangaon) এলাকায় একটি ছোট ছিটমহলও রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সব সমস্যার সমাধান করার জন্য জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এবার আর কোনও বাধা মানা হবে না। দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন যেখানে সেখানে কোনওরকম বাধা মানা হবে না।

আরও পড়ুন : শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যে বড় বদলের সম্ভাবনা, ফের পাশ-ফেল চালুর ইঙ্গিত বিধায়ক শঙ্করের

স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ ক্ষতিপূরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সকলকে সমান হারে ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়। আবার অনেকে জমি দেওয়ায় হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন। এলাকায় বর্তমানে অনুপ্রবেশ হয় না বলেও মন্ত্রীকে জানান স্থানীয়রা। সেখানেই মন্ত্রী আশ্বাস, সব ক্ষেত্রে রাজ্যের বিভিন্ন দফতরগুলি জমি জট কাটানোর কাজ করবে। যেখানে দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন রয়েছে এইসব এলাকায় কাঁটাতার না দেওয়ার কারণে, সেখানে ২০০ শতাংশ কাঁটাতার বসবেই।

–

–

–

–
–
–
