নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে তালা ঝুলল রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে(Rabindra Sarobar Stadium)। এই মাঠে একাধিক দল যেমন অনুশীলন করে তেমনই অনেক ক্লাবও রয়েছে এই স্টেডিয়ামের মধ্যে। হঠাত করে স্টেডিয়াম বন্ধ হওয়ায় বিপাকে সবাই।
রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়াম নিয়ে সরকারের ভাবনাচিন্তার কথা জানিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তিনি বলেন, অলিম্পিক পর্যায়ের ট্র্যাক বসানো হবে রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে। দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতির কথা ভাবতে শুরু করে দিয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে শুরু অ্যাকশন। পড়লো একাধিক ঘরে তালা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ স্টেডিয়ামে(Rabindra Sarobar Stadium) তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আচমকা এই ঘটনায় ক্রীড়ামহলে তৈরি হয়েছে জোর চাঞ্চল্য। সংস্কারের জন্য এই স্টে়ডিয়াম বন্ধ করা হল নাকি অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতেই এই কড়া ব্যবস্থা নিল রাজ্য সরকার তা পষ্ট নয়। কারণ এতদিন এই স্টেডিয়ামের অনেক ঘরই দখল হয়েছিল। স্টেডিয়ামের একাধিক ঘর দীর্ঘদিন ধরে এমন কিছু মানুষ বা সংগঠনের দখলে ছিল, যাদের খেলাধুলার সঙ্গে কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। সেই দখলদারি সরিয়ে স্টেডিয়ামকে পুরোপুরি খেলাধুলার জন্য ব্যবহারযোগ্য করে তুলতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই স্টেডিয়ামেই প্রতিদিন অনুশীলন করে একাধিক ছোট ফুটবল ক্লাব। নিয়মিত আসেন বহু অ্যাথলিটও। তাই হঠাৎ স্টেডিয়াম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অবাক সবাই।

–

–

–

–
–
