ফের অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, হাওড়া প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) ধরা পড়লে, তাঁকে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভাল করে খাওয়াদাওয়া করিয়ে সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে, নইলে বসিরহাটে বিওপি-র কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।”
বুধবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা সিএএ-র (CAA) অন্তর্ভুক্ত নন, তাঁদের ধরে সরাসরি BSF-এর হাতে তুলে দিতে হবে। সিএএ-র আওতায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা ৬টি জনগোষ্ঠীকে শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসা, হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টানদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হবে বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কেন্দ্রের তরফে গত বছরই এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আগের রাজ্য সরকার তা কার্যকর করেনি বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু। কেন্দ্রের পাঠানো ওই নির্দেশিকা বুধবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হয়ে যাচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

সেই কথার রেশ টেনে এদিন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে আদালতে পেশ করার দরকার নেই, সরাসরি সীমান্তে পাঠিয়ে দিতে হবে। বলেন, “পুলিশ কমিশনার এবং আরপিএফ-কে বলে দেওয়া হয়েছে, সিএএ-র আওতায় পড়েন না এমন বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হাওড়া স্টেশনে ধরা পড়লে, তাঁকে কোর্টে পাঠাবেন না। তাঁকে ভাল করে খাওয়াদাওয়া করিয়ে সোজা বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে, নইলে বসিরহাটে বিওপি-র কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।”

কতজন অনুপ্রবেশকারী প্রতি সপ্তাহে ধরা পড়ছেন- সেই হিসেবও চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নির্দেশ দেন, প্রতি সপ্তাহে ডিজিপি মারফৎ ধরপাকড়ের সংখ্যা মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে পাঠাতে হবে।

–

–

–

–
–
–
