দুর্নীতির অভিযোগ গ্রেফতার হয়েছেন। রয়েছে তোলাবাজির অভিযোগ। কিন্তু কেঁচো খুঁড়তে যে কেউটে বেরিয়ে যাবে, তা কে জানতো। অনৈতিক পথে রোজগার করা টাকার পরিমাণ এত, যে লুকিয়ে রাখতে শেষে মাটি খুঁড়ে লুকানোর দরকার পড়বে, তা-ই বা কে জানতো। বাদুড়িয়ার (Baduria) যখন পুলিশ পাট ক্ষেতের মাটি খুঁড়ে ট্রলি আর বস্তা ভর্তি টাকা উদ্ধার (cash recovery) করল, তখন কার্যত চক্ষু চড়কগাছ পুলিশেরও।
উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় (Baduria) ধৃত পুরপ্রধান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে (Dipankar Bhattacharya) ঘিরে বিপুল নগদ উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে ফের সামনে এল নতুন তথ্য। মঙ্গলবার তাঁর বাড়ির পাশের পুরসভার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধারের (cash recovery) পর বুধবার এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকেও মিলল একাধিক বস্তা এবং ট্রলিব্যাগ। মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হওয়া ওই ব্যাগেগুলির মধ্যেও বিপুল পরিমাণ নগদ আছে বলেই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বাদুড়িয়ার এসডিপিও-সহ (SDPO, Baduria) বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স (Combat Force)। বুধবার পাটক্ষেত থেকে নগদ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত আরও গভীর হয়েছে। এই বিপুল টাকার উৎস কী, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কোনও দুর্নীতির যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা।

আরও পড়ুন : ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসে তুলে দেব নাম: বাদুড়িয়ায় আশ্বাস অভিষেকের

সম্প্রতি বাদুড়িয়ার ওই এলাকায় সরকারি ত্রিপল মজুত রাখার অভিযোগ উঠার পর তদন্তে নামে পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে স্থানীয় একটি কম্পিউটার সেন্টারের তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই প্রচুর কৌটো উদ্ধার হয়। তার মধ্যে ভরা ছিল প্রচুর চাকা। গুনে দেখা যায় তার পরিমাণ ৮০ লক্ষ টাকা। পুরপ্রধানের বাড়ির পাশেই রয়েছে ওই কম্পিউটার সেন্টার। এমনকি সেই সেন্টারের চাবি থাকত পুরপ্রধানের কাছেই।

–

–

–
–
–
