একটানা ভারী বৃষ্টির জেরে ফের বিপর্যস্ত হল পাহাড়-সমতলের যোগাযোগ ব্যবস্থা। শুক্রবার সকালে বালাসন নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় দুধিয়ায় নির্মিত অস্থায়ী হিউম পাইপের সেতুটি ভেসে যায়। এর ফলে দুধিয়া হয়ে শিলিগুড়ি ও মিরিকের মধ্যে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে মূল দুধিয়া সেতু ভেঙে পড়ার পর প্রশাসনের উদ্যোগে এই অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে মিরিক, সুখিয়াপোখরি ও আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল এই পথ। তবে গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে বালাসন নদীর প্রবল স্রোত সেই অস্থায়ী কাঠামোকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এদিকে ভারী বৃষ্টির কারণে শিলিগুড়ির বিভিন্ন এলাকাও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে টানা ভারী বৃষ্টির জেরে শিলিগুড়ি-মিরিক সংযোগকারী দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু বালাসন নদীর জলের তলিয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে মিরিক যাওয়ার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পাহাড়ে যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের এখন কার্শিয়াং, ঘুম অথবা সুকিয়াপোখরির মতো বিকল্প ও ঘুরপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। বালাসন নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের সতর্ক করা হয়েছে। গত বছর অক্টোবর মাসে একটানা বৃষ্টিতে দুধিয়ার লোহার সেতুর একাংশ ভেঙে যায়। শিলিগুড়ি-মিরিক সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরপর রাজ্যের তরফে অস্থায়ী ভাবে হিউম পাইপ বসিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়। সেটাও বালাসনের তলিয়ে যেতে বিপাকে বাসিন্দারা। টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন খড়িবাড়ি, জল ঢুকেছে বহু বাড়ি ও দোকানে। মহানন্দা নদীতে বাড়ছে জল, ফুলেফেঁপে উঠেছে ফুলবাড়ি ব্যারাজ। ৮টি লকগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ। শহরের বহু এলাকা জলমগ্ন । পাহাড়ের জাতীয় সড়কে ধস।

–

–

–

–

–

–
–
–
