পালাবদলের পর প্রথম বাজেট(West Bengal Budget)! রাজ্যের স্বাস্থ্যখাতে(Health) বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ বঙ্গের জন্য একাধিক ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির লক্ষ্যে।

এদিন রাজ্য বাজেটে(West Bengal Budget) উত্তরবঙ্গে উচ্চশিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তুলতে একাধিক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। মেডিক্যাল শিক্ষার আসন বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নতুন মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে জানানো হয়েছে, উত্তরবঙ্গে একটি IIT, একটি AIIMS এবং একটি ক্যানসার হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।

সিউড়ি হাসপাতালকে আরও আধুনিক ও উন্নত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হবে। এছাড়া কাঁথি ও ফলতায় মহিলা কলেজ তৈরী ও ঝাড়গ্রামে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মেডিক্যাল শিক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্যের ১৩টি মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ৬৫০টি আসন বাড়ানো হবে। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্তরেও ৪৫০টি নতুন আসন বৃদ্ধি করার কথা জানানো হয়েছে।

সোমবার বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, “আমরা জাগরিত শক্তির প্রেরণার ভিত্তিতে আমাদের বাজেট রূপরেখা তৈরি করেছি। নতুন সরকারের লক্ষ্য বিকশিত ভারত। সেই লক্ষ্যেই ২০২৬-২৭ সালের বাজেট। রাজ্যের সমস্ত সামাজিক প্রকল্প চালু থাকবে।”

এর পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘’অত্যাধুনিক হাসপাতাল গড়ে তুলতে প্রাইভেট সংস্থাকে আহ্বান জানাচ্ছি। তাঁদের সরকারি হাসপাতালের রোগীদের জন্যে বিনামূল্য বা ভর্তুকি অর্থে ৫০ শতাংশ বেড সংরক্ষিত রাখতে হবে। মুম্বই-ভেলোরে চিকিৎসার জন্য গেলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রোগীর আত্মীয়দের কম খরচে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। পিপিপি মডেলে থাকার বন্দোবস্ত।’’

এছাড়া, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১ কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে এই লাইসেন্স দেওয়ার ন্যূনতম দূরত্ব হবে ৫০০ মিটার।

–

–
–
