জ্বালানির পর এবার বাড়ল ভ্যাকসিনের দাম। বিসিজি, মিজলস-রুবেলা এবং মিজলস—এই তিনটি অপরিহার্য ভ্যাকসিনের সিলিং প্রাইস বাড়িয়ে দিল মোদি সরকার। মূল্যসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ)।

যেসব শিশুর টিকাকরণ হয় সরকারি হাসপাতালে এই দাম বৃদ্ধির ফলে তাদের কোনো সমস্যা হবে না। সেক্ষেত্রে বর্ধিত দাম বহন করতে হবে কেন্দ্রকেই। কিন্তু যাঁদের সন্তান বেসরকারি হাসপাতালে ভূমিষ্ঠ হয়েছে অথবা যাঁরা বেসরকারিভাবে সন্তানের টিকাকরণ করান, অন্তত দুটি টিকার ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির ফল তাঁদের ভুগতে হতে পারে—একটি বিসিজি, অন্যটি মিজলস।

ড্রাগ প্রাইস কন্ট্রোল অর্ডারের (ডিপিসিও) মাধ্যমে এর দাম নিয়ন্ত্রণ করা হয়। টিকার দাম সাধারণ ওষুধ বা ইনজেকশনের মতো ইচ্ছাখুশি বাড়ানো যায় না। এবারে সেটাই করল মোদি সরকার। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক পাইকারি বিক্রেতারা জানান, আসলে আইনের ফাঁক রাখা হয়েছিল ২০১৩ সালে, ডিপিসিও তৈরির সময়ই। তখন বলা হয়েছিল, বিশেষ পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রিত ওষুধেরও দাম বাড়ানো যাবে। ফলে কন্ট্রোল-ডি-কন্ট্রোল এগুলি শুধুমাত্র মানুষকে বোকা বানানোর উপায়। সমস্ত ওষুধের দামই আসলে ডি-কন্ট্রোলড!

এতদিন বিসিজি ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজের (.১ এমএল) মূল্য ৮ টাকা ২০ পয়সা থেকে বেড়ে নতুন দাম হয়েছে ৯ টাকা ৮৯ পয়সা। প্রতি ভাওয়েল এমআর ভ্যাকসিনের দাম ছিল ৭২ টাকা ৯০ পয়সা। নতুন সিলিং প্রাইস হল ৮৭ টাকা ৯৩ পয়সা। হাম বা মিজলস টিকার দাম ভাওয়েল পিছু ছিল ৫১ টাকা ৪০ পয়সা। নতুন দাম হয়েছে ৬২ টাকা। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, পাইকারি মূল্যসূচক অনুযায়ী নতুন দাম ঠিক করা হয়েছে।

–

–

–

–
–
–
