Wednesday, June 3, 2026

নয়া তথ্যপ্রযুক্তি আইন নিয়ে কী বলল টুইটার?

Date:

Share post:

ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত সমস্ত বিষয়ে সরকারি নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে মোদি সরকার (modi govt)। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমকে এই বিষয়ে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র। তাতে জানানো হয়েছে, নতুন বিধি মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য একজনকে ‘কমপ্লেনস অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে। সাইটে কোনও আপত্তিকর কনটেন্ট রয়েছে কিনা, তা দেখার এবং প্রয়োজনে সেগুলি সরানোর দায়িত্বে তিনি থাকবেন। সরকারের এই সক্রিয়তাকে ইতিমধ্যেই বাক স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে টুইটার (tweeter)। সংস্থার বক্তব্য, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা তাদের অগ্রাধিকার। যদিও এই বক্তব্যকে খারিজ করে কেন্দ্র বলেছে, প্রতিটি দেশে নির্দিষ্ট আইনকানুন থাকে। ব্যবসা করতে গেলে সেসব মানতেই হবে। আর কেন্দ্রের উদ্দেশ্য, বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নয়, বরং ভুয়ো খবর ছড়িয়ে অস্থিরতা তৈরি করলে তা চিহ্নিত করা।

টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চলতি বিতর্কের মধ্যেই নয়া তথ্য-প্রযুক্তি আইন নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার ট্যুইটারেই একাধিক বার্তা পোস্ট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। সেখানে তিনি লিখেছেন, অপরাধের উৎস সন্ধানে নয়া নিয়ম লাগু হয়েছে। সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহকদের নেট নজরদারি নিয়ে ঘাবড়ানোর কোনও কারণ নেই। নয়া আইনে গ্রাহকদের ক্ষোভ দায়েরের একটা অংশ জোড়া হয়েছে। তবে এই সুযোগের অপব্যবহার করে যাতে বেআইনি কাজ না হয় সেটা নিশ্চিত করাই লক্ষ্য। তিনি জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সাধারণ গ্রাহক অপরাধ ও হেনস্থার শিকার হয়ে থাকেন। সেই প্রবণতা রুখতেই এই আইন কার্যকর করা হয়েছে। ভারত সরকার নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

এদিকে, ভারতের নয়া তথ্যপ্রযুক্তি আইন সম্পর্কে টুইটার কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিয়ে জানিয়েছে, তারা ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধনের সাম্প্রতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত। এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও নয়া আইন মেনে চলার বার্তাও দেওয়া হয়েছে টুইটারের তরফে।

আরও পড়ুন- রাজ্যের সঙ্গে এবার সংবাদ মাধ্যমকেও এক হাত নিলেন দিলীপ


Advt

Related articles

অধীর বললেন, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, বেসুরোদের কোন স্বীকৃতি দিচ্ছেন জ্ঞানেশ কুমার!

১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙে তৈরি হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২৬ সালে সেই তৃণমূল ভেঙে তৈরি হচ্ছে কোন দল? সেটাই...

আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, একনজরে কারা পাবেন-কারা বাদ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি বিজেপি (BJP) দিয়েছিল, সেই মতোই শুরু হল অন্নপূর্ণা যোজনা। বুধবার থেকেই বৈধ উপভোক্তাদের...

বড় সিদ্ধান্ত! একযোগে রাজ্যের সব কমিটি-শাখা সংগঠন ভাঙল তৃণমূল

রাজ্যের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দিল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। ভেঙে দেওয়া হল দলের তৃণমূল, যুব...

সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে চালু ‘আপনার সরকার আপনার পাশে’ কর্মসূচি 

রাজ্যে বিজেপি সরকারের পরিষেবা পেতে যাতে সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা না হয় সেই কথা মাথায় রেখে এবার নতুন...