Friday, May 1, 2026

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদ! ৩ তারিখ রেড রোডে বঞ্চিতদের জমায়েতের ডাক তৃণমূল সুপ্রিমোর

Date:

Share post:

১০০ দিনের কাজের টাকা থেকে আবাস যোজনা- একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে মোদি সরকারের বঞ্চনার শিকার বাংলা। এর প্রতিবাদে ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ধর্না কর্মসূচির কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল সভানেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার আবাস যোজনায় বঞ্চিতদের ৩ তারিখ রেড রোডে জমায়েতের আহ্বান জানালেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো। বুধবার মালদহের সভা থেকে তিনি জানান, ওই রেড রোডে বেলা ১টা সময় বাবা সাহেব আম্বেদকরের মূর্তির সামনে জড়ো হবেন আবাস যোজনায় প্রকৃত প্রাপকরা। জেলা নেতৃত্বই নিজেদের খরচে তাঁদের কলকাতায় নিয়ে আসবেন। এর জন্য কোনও রকম চাঁদা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ তৃণমূল সভানেত্রীর।

কেন্দ্রের বঞ্চনার শিকার একমাত্র বাংলা। কারণ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন BJP-র সামনে। বাংলার মাটিতে জমি না পেয়ে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে মোদি সরকার। ১০০ দিনের কাজের প্রাপ্যর দাবিতে বারবার দরবার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি গিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রোদে-জলে রাজপথের ধারে ধর্না দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গেও অন্যান্য সাংসদদের নিয়ে আলোচনা করেছেন মমতা-অভিষেক। কিন্তু নিট ফল শূন্য। পয়লা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেন্দ্রকে সময় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে কোনও রকম সদর্থক সাড়া না মিললে ২ তারিখ থেকে ধর্নার কথা মঙ্গলবার সভা থেকেই ঘোষণা করেন মমতা। বুধবার, মালদহে তিনি জানান, আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা প্রকৃত প্রাপকরাও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না। তৃণমূল সভানেত্রী আহ্বান জানান, “১১ লক্ষ বাড়ি যাঁরা ক্লিয়ার হওয়ার পরেও পাননি তাঁরাও জড়ো হোন। ৩ তারিখ বেলা ১টায় রেড  রোডে বাবাসাহেব আম্বেদকর মূর্তির সামনে জমায়েত করা হবে।“ সেখান থেকেই বাংলার প্রাপ্যর দাবিতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আওয়াজন তোলা হবে। “আমি দেখছি কত ধানে কত চাল।“

জেলা সভাপতিদের মমতা নির্দেশ দেন, জেলার তালিকা দিতে। সেই তালিকা দেখে মানুষকে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন তৃণমূল সভানেত্রী। তবে, একই সঙ্গে তাঁর নির্দেশ, “পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের, ব্লকে পুরসভা থেকে বিধায়ক, সাংসদরা নিজেদের খরচে মানুষকে নিয়ে আসবেন। দরকার হলে একমাসের বেতন খরচ করে উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু চাঁদা তুলে করবেন না।“

মুখ্যমন্ত্রী জানান, মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়ে যাওয়ায়, ধর্না-আন্দোলনের জন্য ময়দান চত্বরকে বেছে নেন তিনি। কারণ, ওই এলাকায় কোনও স্কুল নেই। তাছাড়া, বিধি মেনেই হবে মাইকের ব্যবহার বলে জানান মমতা।

Related articles

সুপারিশ ৪ বুথের: কত বুথ বা কেন্দ্রে পুণর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত, জানাবে দিল্লি

এসআইআরের প্রথম ধাপ থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশন দফতর থেকে। সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের (CEC, Gyanesh Kumar)...

পোস্টাল ব্যালটে কারচুপির অভিযোগ পেয়েছি: স্ট্রং রুমে ৪ ঘণ্টা পাহারার পর বেরিয়ে দাবি মমতার

ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের মতো একইভাবে পোস্টাল ব্যালটে কারচুপির চেষ্টা চলছিল ভবানীপুর কেন্দ্রেও। সেই অভিযোগ পেয়েই বৃহস্পতিবার রাত ৮টা...

হার নিশ্চিত জেনেই অশান্তি! বিজেপির বেপরোয়া হামলার অভিযোগে তোপ কুণালের

শান্তিপূর্ণভাবে ভোট মিটলেও তার রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল বেহালা। বেহালার ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ...

রাতেই স্ট্রং রুম পাহারায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: সাখয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে বাড়ল নিরাপত্তা

ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুম লর্ড সিনহা রোডের সাখওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল। দলীয় কর্মীদের যেমন নির্বাচন হয়ে...