পৌষের শেষ দিনে সাগরতীর্থে উপচে পড়া ভিড়। ভোররাত থেকে শুরু হয়েছে পুণ্য স্নান। রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti) উপলক্ষে গঙ্গাসাগর মেলা চত্বর (Gangasagar Mela complex) নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। যেভাবে প্রশাসন লক্ষাধিক মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ পুণ্যার্থীরা। সারিবদ্ধভাবে সকলে স্নান করতে পারছেন, মহিলাদের কথা মাথায় রেখে পোশাক পরিবর্তনের আলাদা জায়গা করা হয়েছে। সুশৃংখলভাবে পুজো দেওয়া যাচ্ছে কপিল মুনির আশ্রমেও। জলপথে ও আকাশপথে চলছে নজরদারি। মেলা চত্বরে পর্যাপ্ত পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছেন। মহিলা পুলিশের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।

ছক ভেঙে আজ উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে অভিষেক

চলতি বছর মকর সংক্রান্তিতে মহা পুণ্যকাল বা স্নানের শুভ সময় হল ভোর থেকে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত, যদিও কিছু পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৪ জানুয়ারি বিকাল ৩:১৩ থেকে ৪:৫৮ পর্যন্ত এবং ১৫ জানুয়ারি ভোর থেকে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মহাপুণ্যকাল। তবে সকালের শুভ সময়ে স্নান করা শাস্ত্রসম্মত ও শ্রেষ্ঠ। তাই সূর্যোদয়ের অনেক আগে থেকেই সাগরে ডুব দিয়ে পুণ্য অর্জনে ব্যস্ত সন্ন্যাসী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই। কুম্ভ মেলায় গিয়ে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু গঙ্গাসাগরের মতো এত বৃহত্তর মেলাতে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলার লেশমাত্র নেই। কেন্দ্রের তরফ থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য মেলে না, সবটা সামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। প্রত্যেক বছরের মতো এবারও পুণ্যার্থীরা বলছেন, সব তীর্থ একবার, গঙ্গাসাগর বারবার।
–

–

–

–

–

–

–
–


