বলতে গেল সরস্বতী প্রতিমার মুখশ্রী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (artificial intelligence) কৃতিত্বে বাঙালির চেনা বাগদেবীর মুখের আদলে এবার নয়া মেকওভার! হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরই সারস্বত বন্দনায় (Saraswati Puja celebration) মেতে উঠবে গোটা বাংলা। পটুয়াপাড়ায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। তবে এবছরের চমক ‘কিউট সরস্বতী’দের (Cute Saraswati) চাহিদা। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) সৌজন্যে নিজেদের পছন্দমত মিষ্টি সরস্বতী প্রতিমার মুখের আদল বেছে নিয়ে কুমোর পাড়ায় পৌঁছে যাচ্ছেন পুজো উদ্যোক্তারা, আর সেই মতো বিদ্যার দেবীকে তৈরি করছেন শিল্পীরা। কালনা থেকে কলকাতা, সর্বত্র একই ছবি।


আগামী ২৩ জানুয়ারি (শুক্রবার)সকালে ভগবতী ভারতী দেবী সরস্বতীর আরাধনা। বসন্ত পঞ্চমী হলুদ বা বাসন্তী শাড়িতে বই আর বীণা হাতে সুসজ্জিতা দেবী। শ্বেত শুভ্র সরস্বতীর রূপের মহিমা পুরাণ -শাস্ত্র সবেতেই বর্ণিত। তবে এ বছর দেবীর লুকে পরিবর্তন চোখে পড়ছে সকলের। মাতৃ প্রতিমার মুখের যে আদল বা ছাঁচ, তার থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন কিছু করতে চাইছে এই প্রজন্ম। তাই AI-এর সাহায্য নিয়ে সরস্বতী ঠাকুরের পছন্দসই মুখের ছবি নিয়ে কুমোরটুলিতে পৌঁছে যাওয়া। নতুন ট্রেন্ডে কিছু করতে পেরে খুশি পটুয়াশিল্পীরাও।


কলকাতা চোরবাগানে প্রথম এই ধরনের সরস্বতীর দেখা মেলে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে প্রথম কিউট সরস্বতী বানিয়েছিলেন কুমোরটুলির শিল্পী দীপঙ্কর পাল (Dipankar Paul)। দ্রুত গতিতে সেই প্রতিমার ছবি ভাইরাল হয়। সকলের মনে ধরে এবং ক্রমশ এই স্টাইল জনপ্রিয় হতে শুরু করে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চিরাচরিত ঘরানা থেকে বেরিয়ে এই হুজুগে গা ভাসাতে নারাজ। তাদের কথায়, দেবীর এতদিনের চেনা রূপ দেখেই মনে ভক্তি আসে। কিন্তু ছোটখাটো ইনস্টিটিউশন থেকে শুরু করে পাড়ার পুজো এমনকি অনেকে বাড়িতেও এ বছর কিউট সরস্বতী আনার পরিকল্পনা সেরে ফেলেছেন।

–

–

–

–

–

–
–
–


