বিজেপির ক্ষমতা রাজ্যের কোথাও একটু বাড়লে তারা বাংলার মানুষের উপর কী ধরনের অত্যাচার করে, তা ইতিমধ্যে বিভিন্ন ঘটনায় প্রমাণিত। এবার নদিয়ার বুকে দাঁড়িয়ে নদিয়ারই মানুষের উপর বিজেপির অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কৃষ্ণনগরে ব্যক্তিগত সম্পত্তি জবর দখল করে বিজেপির পার্টি অফিস তৈরি করা নিয়ে চাপড়া থেকে প্রশ্ন তুললেন তিনি। এরপরেও বিজেপি বাংলার মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করার ক্ষমতা কিভাবে রাখেন, প্রশ্ন অভিষেকের।

কৃষ্ণনগরের জবরদখল করে তৈরি করা পার্টি অফিস নিয়ে অভিষেক দাবি করেন, কৃষ্ণনগর শহরে রজনী মুখার্জী লেন। ২০১০ সাল থেকে একজনের বাড়ি জোর জবরদস্তি জবরদখল করে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ও দীনদয়াল উপাধ্যায় ভবন নামে এটা চালু করা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ছিলেন গৌতম সরকার। তিনি ২০১৮ সালে প্রয়াত হন। পরবর্তীকালে তাঁর স্ত্রী সুজাতাদেবী মামলাকরেন উচ্ছেদের। সেই উচ্ছেদের মামলায় আদালত রায় দেয় যে বিজেপিকে এই পার্টি অফিস খালি করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে হাই কোর্টে স্থগিতাদেশ নিয়ে এসে জবরদখল করে আবার সেই পার্টি অফিস চালায়।

সেখানেই ফের একবার উঠে আসে বিজেপির স্বেচ্ছাচারিতা ও বাঙালির উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গ। অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, যে দল নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে অবৈধভাবে পার্টি অফিস চালায়। সে বাংলার ১০ কোটি মানুষের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করে কী করে। যাদের পার্টি অফিস অবৈধ। যার বিরুদ্ধে বাড়ির মালিকের স্ত্রী উচ্ছেদের মামলা করেছে। ২০২৫ সালে আদালত মামলা করেছে, সেই দলকে আমাদের নাগরিকত্বের পরিচয় দিতে হবে?
আরও পড়ুন- সিঙ্গুরে শিল্পের দিশা নেই মোদির ভাষণে! ‘জুমলা’ কটাক্ষে সরব তৃণমূল

_

_

_

_

_

_
_
_


