মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উন্নয়নমূলক কাজে বদলে গিয়েছে বাংলার মানুষের জীবন। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নারীকল্যাণ ও সামাজিক প্রকল্পের সেই বাস্তব অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করেই তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যমূলক চলচ্চিত্র ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ মুক্তি পেল। অরিজিৎ টোটোন চক্রবর্তীর পরিচালনায় তৈরি এক ঘণ্টার এই ছবিতে গ্রামবাংলার নারীদের স্বনির্ভর হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটি প্রযোজনা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগ। ছবির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় ও অঙ্কুশ হাজরা। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে সোহিনী সেনগুপ্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায়, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক পরিচিত অভিনেতাকে।
সিনেমার গল্পে দেখা যায়, স্বামীকে অকালে হারিয়ে ও শ্বশুরবাড়ির লাঞ্ছনা-গঞ্জনার শিকার হয়ে একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েন শুভশ্রী অভিনীত চরিত্র ‘লক্ষ্মী বাড়ুই’। সেই সময় তাঁর সাক্ষাৎ হয় পঞ্চায়েত দফতরের স্বেচ্ছাসেবকের চরিত্রে থাকা অঙ্কুশের সঙ্গে। রাজ্য সরকারের নারীকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই তাঁর জীবনে আসে আমূল পরিবর্তন। অঙ্কুশ এরপর একের পর এক প্রকল্প পৌঁছে দেন শুভশ্রীকে। শেষ পর্যন্ত সেই সব প্রকল্পের সুবিধায় শুভশ্রী চাষের কাজের সঙ্গে সঙ্গে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠেন। পরে তাঁর শাশুড়িকেও স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে সহযোগিতা পাইয়ে দিলে বদলে যায় পারিবারিক সম্পর্কের সমীকরণও। শাশুড়ি-বউমার সম্পর্কের তিক্ততা ঘুচে নতুন রূপ নেয় সম্পর্ক। আরও পড়ুন: নাবালিকাকে নির্যাতন CRPF কনস্টেবলের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে রক্ত: কটাক্ষ তৃণমূলের
‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ ছবিতে কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, আনন্দধারা, পথশ্রী-সহ একাধিক রাজ্য সরকারের প্রকল্পের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলার নারীদের অগ্রগতির ছবি দেখিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির প্রতিও পরোক্ষ কটাক্ষ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে বুধবার নন্দনে এই ছবির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি দেখে তিনি বলেন, “সরকারের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মানুষের সামনে তুলে ধরা দরকার। এই প্রকল্পগুলি বাস্তবে মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে—আমি নিজে তা দেখেছি।”

–

–

–

–

–

–

–



