তিনদিনের মধ্যে রাজ্যে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের বেধে দেওয়া সময়সীমা পেরোলেও রাজ্যের মানুষ সেই তালিকা পায়নি। শুনানিতে কাগজ জমা দিলে ভোটারদের রিসিপ্ট দেওয়া নিয়ে কোনও নির্দেশিকা নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (CEO office) থেকে ডিইও (DEO) বা জেলাশাসকদের দফতরে দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে কোনও এসআইআর প্রক্রিয়া চলা কেন্দ্রে অশান্তিতে পুলিশে অভিযোগ জানানো নির্দেশ জারি হল। সেই সঙ্গে সেই সব কেন্দ্রে নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ ছাড়া পরবর্তী শুনানি (SIR hearing) শুরু করা যাবে না, বলে নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশের (Election Commission) সিইও দফতর।

সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের নির্দেশিকাকে হাতিয়ার করেছে নির্বাচন কমিশন। তাদের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, শুনানি (SIR hearing) ও সংশোধনী প্রক্রিয়ায় কোনও আইনশৃঙ্খলা সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর (FIR) দায়ের করতে হবে। সেই অভিযোগের কপি মেলে জেলা পুলিশ সুপারকে দিতে হবে। সেই সঙ্গে দিতে হবে সিইও দফতরকে।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও এলাকায় হিংসা বা সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনা চলতে থাকে, তবে সেই এলাকার এসআইআর শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখতে হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অনুমোদন পেলে তবেই পুনরায় শুনানি শুরু করা যাবে।

সেইসঙ্গে বলা হয়েছে এই ধরনের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করতে দেরি হলে তা অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হবে। এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ ডিইও-র বিরুদ্ধে বিরূপ নেতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : বন্দে ভারত-এ বন্ধ আমিষ! তৃণমূলের সুরে বিরোধিতায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি

একদিকে যখন এসআইআর প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে উদ্যোগী খোদ দেশের সুপ্রিম কোর্ট, সেখানে স্বচ্ছতা বজায় রেখে তালিকা প্রকাশ করার একটি মাত্র নির্দেশিকা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে জারি করা হয়েছে। যার ফলাফল হাতে পাওয়া, বা প্রকাশিত তালিকা চোখে দেখার আগেই হয়রানির জেরে প্রতিদিন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। আবার সেই সুপ্রিম কোর্টের একটি মাত্র নির্দেশকে হাতিয়ার করে রাজ্য এসআইআর প্রক্রিয়াকে আরও ধীর করে দিতে চাইছে খোদ নির্বাচন কমিশন।

–

–

–

–


