রাজ্যের কাছে এসআইআর নিয়ে নাস্তানাবুদ নির্বাচন কমিশন রাজ্যের আধিকারিকদের উপর ‘বলপ্রয়োগ’ করে শোধ তোলার পথে হেঁটেছে। এবার রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের নির্বাচনের আগে প্রশিক্ষণে ডেকে রাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলার পথে হেঁটেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এবার রাজ্যের শীর্ষ ২৫ আধিকারিকদের প্রশিক্ষণে (training) যাওয়া বাধ্যতামূলক করল কমিশন।

পাঁচ রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ ২৫ জন সিনিয়র আধিকারিককে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (central observer) হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি নির্বাচন কমিশন (Election Commission) খারিজ করে দিয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিককে প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে। তালিকা অনুযায়ী সকল আধিকারিককে ওই দিন উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কমিশন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা-সহ (J P Meena) ১৫ জন আইএএস (IAS) এবং ১০ জন আইপিএস (IPS) আধিকারিককে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (observer) হিসেবে মনোনীত করেছে। একাধিকবার রাজ্য সরকারের কাছ থেকে উপযুক্ত আধিকারিকদের তালিকা না পাওয়ায় কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করে।

আরও পড়ুন : PSC-র চেয়ারম্যান দেবল রায়: ঘোষিত নতুন কমিটি

রাজ্য সরকারের তরফে কমিশনের কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হয়েছিল। রাজ্যের যুক্তি ছিল, নির্বাচনের প্রাক্কালে শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকদের বাইরে পাঠানো হলে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে পাঠানো হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে বলেও জানানো হয়। সেই প্রেক্ষিতে বিকল্প নাম প্রস্তাব করে মোট ১৭ জন আধিকারিককে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য।

–

–

–

–

–


