বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নির্বাচন (Bangladesh election) । হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী উপদেষ্টা হিসেবে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব পালন করলেও এবার দেশের মানুষ বেছে নেবেন তাঁদের প্রধানমন্ত্রীকে। বর্তমানে সে দেশে ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে নতুন ভোটার প্রায় ৩.৫৮ শতাংশ। মঙ্গলবার রাতের পর বুধবার সকাল থেকে অশান্তির আবহ জেলায় জেলায়। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে বাংলাদেশ পুলিশ (Bangladesh Police)। ইতিমধ্যেই অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্রকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করা হয়েছে। নব্বই শতাংশের বেশি বুথে সিসি ক্যামেরা (CC Camera Surveillance) নজরদারির পাশাপাশি আকাশপথে চলবে ড্রোন। বডিক্যাম (Body Cam) পরিহিত পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র জুড়ে ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্রের জন্য অন্তত ৯ লক্ষেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশ স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করে সেদেশের নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়েছে।ঢাকা (Dhaka)অঞ্চলে মোট ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যেও ১,৬১৪টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার আব্দুল ফজল মুহাম্মদ সানাউল্লাহ জানিয়েছেন ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের জন্য গোটা বাংলাদেশে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করার পাশাপাশি ড্রোন, বডিক্যামের ব্যবহার করা হতে পারে। সংবেদনশীল পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা (ভারতীয় সময়ে) থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। এ বারে একইসঙ্গে দু’টি করে ভোট দেবেন বাংলাদেশের ভোটারেরা। একটি প্রার্থী বাছাইয়ের ভোট। অন্যটি সে দেশে প্রস্তাবিত সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়ে ভোটারের মতামত। পরবর্তীতে যা নিয়ে একটি গণভোট হবে এবং প্রার্থী বাছাইয়ের সঙ্গে সেটির বিষয়েও নিজেদের মতামত জানাবেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। নির্বিঘ্নে ভোট সম্পন্ন করার ব্যাপারে আশাবাদী প্রশাসন।

–

–

–

–

–

–

–



