সুরের জাদুতে জয় করেছেন ইন্ডিয়ান আইডলের মঞ্চ। পৌঁছে গিয়েছেন দেশের অন্যতম সেরা দশ প্রতিযোগীর তালিকায়। কিন্তু দুবাই যাওয়ার ঠিক আগে পাসপোর্ট বিভ্রাটে কার্যত থমকে গিয়েছিল কাঁথির প্রতিভাবান কিশোরী অঙ্কিতা প্রধানের স্বপ্ন। সেই কঠিন সময়ে ত্রাতা হয়ে অবতীর্ণ হলেন তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর হস্তক্ষেপে রাতারাতি পাসপোর্ট হাতে পেলেন অঙ্কিতার মা, যার ফলে জট কাটিয়ে ফের সুরের লড়াইয়ে ফিরছে বাংলার এই একমাত্র প্রতিনিধি।

অঙ্কিতা নাবালিকা হওয়ায় দুবাই যাওয়ার জন্য তাঁর মায়ের সঙ্গে থাকা জরুরি ছিল। কিন্তু অঙ্কিতার পাসপোর্ট চলে এলেও কোনও অজ্ঞাত কারণে আটকে যায় তাঁর মায়ের পাসপোর্ট। এদিকে রিয়্যালিটি শো কর্তৃপক্ষের তরফে কড়া নির্দেশ ছিল, তিন দিনের মধ্যে পাসপোর্ট জমা না দিলে অঙ্কিতাকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হবে। দেশের এত বড় মঞ্চে পৌঁছেও এভাবে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায় ভেঙে পড়েছিল গোটা পরিবার। শেষমেশ উপায়ন্তর না দেখে অঙ্কিতার পরিবার দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের।

সূত্রের খবর, গোটা বিষয়টি জানতে পেরেই তৎক্ষণাৎ উদ্যোগ নেন অভিষেক। তাঁর ব্যক্তিগত তৎপরতায় প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে শনিবারই অঙ্কিতার মায়ের পাসপোর্ট হাতে এসে পৌঁছয়। এই অভাবনীয় সাহায্যে আপ্লুত অঙ্কিতা ও তাঁর পরিবার। দুশ্চিন্তার মেঘ কেটে যাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কুর্নিশ জানিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই শ্রেয়া ঘোষালের মতো প্রথিতযশা শিল্পীদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন অঙ্কিতা। বর্তমানে প্রতিযোগিতার প্রথম দশের মধ্যে বাংলা থেকে একমাত্র প্রতিযোগী তিনিই। পাসপোর্ট জট কাটিয়ে অঙ্কিতার এই দুবাই পাড়ি দেওয়ার খবরে খুশির হাওয়া কাঁথিতেও। জননেতার এই মানবিক পরিচয় এবং শিল্পীর পাশে দাঁড়ানোর ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, প্রতিভার বিকাশে কোনও বাধাই বাধা নয়।

আরও পড়ুন- পঞ্চায়েত থেকে ব্লক, সর্বত্রই লম্বা লাইন! যুবসাথীর প্রথম দিনেই রেকর্ড সাড়া রাজ্যে

_

_

_

_

_

_
_


