দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। আর হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই দিন ঘোষণা। তার আগে এবিপি আনন্দ-এ একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়ে দিলেন, ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের (TMC) আসন আরও বাড়বে। তাঁর কথায়, মানুষের প্রতি বিশ্বাস আছে। সিট বাড়বে। তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, SIR-এর নামে এরা (মোদি সরকার) যে অত্যাচার করছে, তার বিচার হবে ভোট বাক্সে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়িতে নেওয়া সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয় সোমবার এবিপি আনন্দ। আর সেখানে সুমন দে-র প্রশ্ন ছিল, ছাব্বিশের নির্বাচন সম্পর্কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, আগের থেকেও ভালো ফল করবে তৃণমূল। বাড়বে আসন। কারণ হিসেবে প্রথমেই SIR-এর উল্লেখ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ অলিখিত রাষ্ট্রপতি শাসন চালাচ্ছে কেন্দ্র-কমিশন। তৃণমূল সভানেত্রী বলেন, মানুষের প্রতি বিশ্বাস আছে। সিট (Seat) বাড়বে। এসআইআর-এর নামে অশান্তি লাগিয়েছে। নাম বাদ দিয়েছে আদিবাসীদের, মুসলিমদের। এর বিচার ভোট বাক্সে হবে।

এরপরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ভোটের ৬ মাস আগে থেকেই অলিখিতভাবে তথাকথিত রাষ্ট্রপতি শাসন চালাচ্ছে কেন্দ্র-কমিশন। উদাহরণ দিয়ে মমতা জানান, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবকে অন্য রাজ্যে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হচ্ছে। রাজ্য থেকে একের পর এক আমলাকে নিয়ে অন্য জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রশাসন পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। বলেন, “সবাইকে এদিক ওদিক পাঠাচ্ছে। আমার সরকারটা চলবে কী করে? একাধিক অফিসারদের নিয়ে নিয়েছে। এসআইআর এ ব্যস্ত একাধিক। নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রপতি শাসনের নাম করে তথাকথিত রাষ্ট্রপতি শাসন চালাচ্ছে।” রাজ্যের শাসকদলকে হেনস্থা করতেই যে এই চক্রান্ত তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর তিনি প্রত্যয়ী এর জবাব বাংলার মানুষ ভোট বাক্সে দেবে। বাড়বে তৃণমূলের আসন।

সুমন প্রশ্ন করেন, আপনি বলছেন এটা তথাকথিত রাষ্ট্রপতি শাসন? মমতা বলেন, “ইয়েস। সুপার পাওয়ার দেখাচ্ছে। সব অফিসারদের থ্রেট করছে। মুখ্যসচিবকে ফোন করছে। জেলাশাসকদের বলছে যা বলব তাই শুনতে হবে! এটা কেন হবে? একটাই মোটিভ ভ্যানিশ কুমারের (মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার) Anyhow People will not elect the government, He will elect the government before the Election। এটা বিহার, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রে হয়েছে। আমি এখনও বলছি এই তিনরাজ্যে কংগ্রেস জোট হারেনি। হারানো হয়েছে।”

–

–

–

–

–

–


