বিহারে খোলা জায়গায় মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ প্রসঙ্গে বিহার সরকারকে তুলোধনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এমনকি বিহারে এই নিয়ম না মানলে দেওয়া হয়েছে হুঁশিয়ারিও। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিজেপিকে একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,” স্কন্ধকাটার রাজনীতি চলছে। এই রাজনীতিকে আমি ধিক্কার জানাই।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”বাজারে মাছ বিক্রি হবে না। মাংস বিক্রি হবে না। তাহলে বিজেপি বাংলায় এসে কী করবে? বাংলা তো মাছে-ভাতেই থাকে। যারা নিরামিষাশী তারা নিরামিশ খান। ঠিক আছে। আমরাও কখনও কখনও পুজো পার্বনে নিরামিশ খাই। বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, বাজারে বিক্রি করা যাবে না। যাদের লাইসেন্স আছে তাঁদের ভিতর দিকে মাংস বিক্রি করতে হবে। তাহলে কি তাঁরা শপিং মলে গিয়ে মাছ-মাংস বিক্রি করবে? শপিং মলে যাদের ক্ষমতা আছে তাঁরা যেতে পারেন তাই বলে কি সকলে যেতে পারবে? আমাদের তো চাষিরা রাস্তায় বসেন। তাঁরা টাটকা সবজি নিয়ে আসেন। সেটা বিক্রি করেন। পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে আসেন। সেটা বিক্রি করেন।, সংসার চালান। আজ যদি বলে বাংলায় মাছ-মাংস-ডিম বন্ধ, কারণ বিজেপি অন্ধ। স্কন্ধকাটার রাজনীতি চলছে। এই রাজনীতিকে আমি ধিক্কার জানাই।” আরও পড়ুন: ফের আদালতে আরজি কর কাণ্ডে মৃতার বাবা-মা

নির্দেশিকা জারি করে বিহার সরকার জানিয়েছে, মাংস বিক্রির জন্য সমস্ত দোকানদারের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। নিয়ম ভেঙে খোলা জায়গায় মাংস বিক্রি করলেই নেওয়া হবে ব্যবস্থা নেবে সরকার। নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। মাংস বিক্রির আগে দোকানে পর্দা বা কালো কাচ দিতে হবে যাতে বাইরে থেকে কোনও ভাবেই মাংস কাটার দৃশ্য দেখা না যায়। রাস্তার ধারে বা খোলা জায়গায় ঝুলিয়ে মাংস বিক্রি করা যাবে না। স্কুল বা ধর্মীয় স্থানের কাছে মাংসের দোকান খোলা যাবে না। দোকানদারদের অবশ্যই এমন জায়গায় বর্জ্য রাখতে হবে যাতে পুরসভার যানবাহনগুলি তা তুলতে পারে। স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যবিধি এবং জনসাধারণের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত।

–

–

–

–

–

–

–


