বাদুড়িয়ার যুবক খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, মৃত নাসির আলিকে খুন করে দেহ খণ্ডিত করার অভিযোগে ধৃত প্রদীপ মণ্ডলকে মঙ্গলবার বসিরহাট আদালতে তোলা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেহ টুকরো করে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে বিভিন্ন জলাশয়ে ফেলতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তিনি। এর আগে এই ঘটনায় বিডিও রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ও সাগর গাইনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত নথির অছিলায় নাসিরকে ডেকে খুন করা হয়। পরে দেহ লোপাটের পরিকল্পনা করে খণ্ডিত দেহাংশ বিভিন্ন খাল ও জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রদীপকে কোথা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা জানাতে চাননি তদন্তকারীরা। ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা রয়েছে। আরও পড়ুন: বিহারে খোলা জায়গায় মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ! স্কন্ধকাটার রাজনীতি বলে বিজেপিকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

নাসির আলি ছত্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের পাপিলা গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত ছিলেন। পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর যমুনা নদী থেকে তাঁর মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়, যা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় ও পথ অবরোধের ঘটনা ঘটে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বুথের বিএলও রিজয়ান হাসান মণ্ডল তাঁকে এসআইআর নথি সংক্রান্ত সমস্যার কথা বলেন। নথি নিয়ে দ্রুত লালকুঠি এলাকায় ডাকেন। বিএলওর স্ত্রীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক থাকায় এসআইআরের কাগজ দেখানোর নামে ডেকে এনে খুন বলে প্রাথমিক অনুমান।

ঘটনার পর বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে পুলিশ। অভিযুক্ত রিজওয়ানকে স্বরূপনগরের তেঁতুলিয়া থেকে এবং সাগর গাইনকে রামপুরহাট থেকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এসআইআর নথির অজুহাতে ডেকে এনে পূর্বপরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

–

–

–

–

–

–

