সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় প্রতীক উর রহমানের দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ছে ফেসবুকীয় কমরেডরা, পাল্টা সিপিএমের দ্বিচারিতা ও তথাকথিত ‘আদর্শের রাজনীতি’র মুখোশ খুলে দিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বামেদের তীব্র কটাক্ষ করে তিনি সাফ জানালেন, যারা দিনের আলোয় বড় বড় কথা বলে, তারাই রাতের অন্ধকারে সুবিধাবাদের খোঁজে ‘হুমায়ুনদের হোটেলে’ ভিড় জমায়। আলিমুদ্দিনের নেতাদের ‘ফেসবুকীয় পেয়ারেলাল’ বলে বিঁধে কুণালের তোপ, ‘ওরা সব জানে, সবাই খারাপ, শুধু ওরা কী করে ত্রিস্তরীয় শূন্যে পৌঁছল, সেটা জানে না।’

বামেদের নীতিহীনতা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে কুণাল ফেসবুক পোস্টে এদিন লেখেন,

‘যা খুশি ওরা বলে বলুক
ওদের কথায় কী আসে যায়,
ওরাই রাতের ভ্রমর হয়ে
হুমায়ুনদের হোটেলে যায়।

শুধু মনে রাখুন:

1) যে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওদের এত অভিযোগ ছিল, তাদের সঙ্গে জোট গড়তে ওদের নীতিতে বাধেনি। কেরলে যে কংগ্রেস খারাপ, বাংলায় সেটা ভালো। বাংলায় যে সিদ্ধার্থশংকর রায়, অধীর চৌধুরীর কংগ্রেস খারাপ ছিল, 2011 ক্ষমতাচ্যুতির পর নিজেদের দুর্বলতা কাটাতে সেই কংগ্রেসেরই পদলেহন।
2) সিপিএম থেকে গুচ্ছের নেতা, শংকর ঘোষ থেকে বঙ্কিম ঘোষ বেরিয়ে বিজেপিতে গেছেন।
3) ওরা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় থেকে সইফুদ্দিন চৌধুরী, সমীর পুততুন্ড, সবাইকে অপমান করেছে।

আর শেষ কথা, প্রতীক উর রহমান যে ওদের ফাঁদে পড়ে তিলে তিলে শেষ না হয়ে ফোঁস করেছেন, তা দেখে ওরা আজ ঈর্ষা আর অবসাদে জ্বলে মরছে। ফেস বুকীয় পেয়ারেলালরা দেখছে আর জ্বলছে, লুচির মত ফুলছে। ওরা সব জানে, সবাই খারাপ, শুধু ওরা কী করে ত্রিস্তরীয় শূন্যে পৌঁছল, সেটা জানে না। প্রসঙ্গ তুললেই অসহিষ্ণু ব্যক্তিগত আক্রমণ।যিনি কাল কলার খোসা দেখিয়েছেন, তাঁকে এর ওর বাড়ি, হোটেলে ছুটতে হচ্ছে। একা লড়ার মুরোদ নেই। শুধু মিডিয়া, সোশাল মিডিয়াতে বিপ্লব’।

আরও পড়ুন- বিরোধী শিবিরেই চমক, তৃণমূলের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদন খোদ বিজেপি নেত্রীর

_

_

_
_

