সেক্টর-৬ শিল্পনগরী এলাকায় পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে বড়সড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ওই কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ চারটি গ্রামের ২,২৭০টি পরিবারে নতুন করে জলের সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভাটিপোতা, করাইডাঙা, গঙ্গাপুর ও আন্দুলগড়ি— মূলত এই চারটি গ্রামের বাসিন্দারা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। এই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ১ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। অনলাইনে যোগ্য সংস্থাগুলির কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে। কার্যাদেশ পাওয়ার ছ’মাসের মধ্যে ঠিকাদার সংস্থাকে পুরো কাজ শেষ করতে হবে। প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, পানীয় জলের মূল পাইপ লাইনের সঙ্গে প্রতিটি বাড়ির সার্ভিস পাইপ জুড়ে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ফিটিংস ও প্রতিটি বাড়িতে জলমাপক যন্ত্র বা ওয়াটার মিটার বসানোর কাজও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।

পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কাজের গুণমান বজায় রাখতে কড়া শর্ত আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। কাজ চলাকালীন রাস্তা বা ফুটপাথ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেই মেরামত করে দিতে হবে। শুধু তাই নয়, পাইপ লাইন বসাতে গিয়ে অন্য কোনও পরিকাঠামোর ক্ষতি হলে তার দায়ভারও বর্তাবে কার্যকরী সংস্থার ওপর। নজরদারির স্বার্থে পাঁচ বছরের ‘ত্রুটি দায়বদ্ধতা সময়সীমা’ বা ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, আগামী পাঁচ বছর ওই পরিকাঠামোয় কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেই তা সারিয়ে দিতে হবে।

নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতর জানিয়েছে, শহর ও সংলগ্ন এলাকার জল সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের আসল লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘অমৃত ২.০’ প্রকল্পের অধীনে প্রতিটি বাড়িতে কলের জল পৌঁছে দেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে, সেক্টর-৬ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটির এই কাজ সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি নিরাপদ পানীয় জলের আওতায় আসবেন। বর্তমানে সাধারণ মানুষকে ভাগাভাগি করে বা বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভর করে জল সংগ্রহ করতে হয়। নতুন সংযোগ চালু হলে সেই সমস্যার পাকাপাকি সমাধান হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

আরও পড়ুন – হলিউডকে টেক্কা দিয়ে সেরা ‘বুং’, মণিপুরি ছবির সাফল্যে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী

_

_

_

_

_
_


