কীভাবে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের পাঠ্য হতে পারে বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি? এই প্রশ্নের উত্তরে বিচার ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে অসম্মান করার অনুমানের কথা তুলে ধরেন খোদ দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kant)। সেই সঙ্গে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা (suo motu case) দায়েরের কথাও উল্লেখ করেন। এরপরই তড়িঘড়ি বিতর্কিত বইয়ের বিক্রি বন্ধ করল কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Union Ministry of Education) অধীনস্থ এনসিইআরটি (NCERT)।

দেশের চার স্তম্ভের অন্যতম বিচার ব্যবস্থা। প্রশাসন থেকে সংসদীয় ব্যবস্থায় ফাঁক থাকলে গোটা দেশের একমাত্র ভরসা বিচার ব্যবস্থা। সেখানে এনসিইআরটি অষ্টম শ্রেণির সোশ্যাল সায়েন্সে (social science) পাঠ্য হিসাবে রেখেছে বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি (Corruption in Judiciary), যা নিয়ে বুধবারই উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

এরপরই কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক ওই অধ্যায়টি পাঠ্য থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় বলে সূত্রের খবর। বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি অধ্যায়টি (Corruption in Judiciary) বদলে – আমাদের জীবনে বিচার ব্যবস্থার প্রভাব – এই নামে অধ্যায়টি রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও সেখানেও উল্লেখ রাখা হয়েছে বিচার ব্যবস্থাকে নির্দিষ্ট আচরণবিধি মেনে চলতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাষ্ট্র ও রাজ্য উভয়কেই স্বচ্ছতা বজায় দায়িত্ব নিতে হয়।

আরও পড়ুন : মোদি সরকারের বইতে বিচার ব্যবস্থার অবমাননা: NCERT-র বিরুদ্ধে মামলার পথে সুপ্রিম কোর্ট!

কেন্দ্রের সরকার বুধবার থেকেই বইয়ের বিক্রি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বদলে ফেলা হবে অধ্যায়। তবে তাতে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) স্বতঃপ্রণোদিত মামলার (suo motu case) কোনও পরিবর্তন হবে কি না এখনও স্পষ্ট নয়। সেক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়তেও সুপ্রিম নজরদারির সম্ভাবনা খারিজ হয়ে যায় না।

–

–

–

–

–

