Site Logo

‘সিঙ্ঘম’! যোগীরাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষকের দুর্নীতির পর্দাফাঁস তৃণমূল, অখিলেশের

EBBS Desk·
‘সিঙ্ঘম’! যোগীরাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষকের দুর্নীতির পর্দাফাঁস তৃণমূল, অখিলেশের

পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে বাংলায় দায়িত্ব পেয়ে এসেছেন বিজেপির রাজ্যের বহু পুলিশ আধিকারিক। বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের ভোটের আগে অ্যাকশনেও দেখা যাচ্ছে। তবে কীভাবে বেছে বেছে বিজেপি নিজেদের পছন্দের পুলিশ আধিকারিকদের বসিয়েছে বাংলার ভোট নিয়ন্ত্রণে, তার পরিচয় এবার ফাঁস করল বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। যোগীরাজ্যের আইপিএস অজয় পাল শর্মা (IPS Ajay Pal Sharma) যেভাবে ফলতায় তৃণমূল প্রার্থীর (TMC candidate) বাড়িতে হানা দিয়ে নিজেকে দাবাং প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন, তার পিছনে যে তাঁর কত বড় দুর্নীতি যোগ রয়েছে, তুলে ধরল তৃণমূল। এরা যে আসলে আধিকারিকের নামে বিজেপির এজেন্ট (BJP agent), সেই পর্দাও ফাঁস করলেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)।

Sponsored

Sranchi In Article

ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির শেখের বাড়িতে গিয়ে হানাদারি চালিয়েছিলেন আইপিএস অজয় পাল শর্মা। যোগীরাজ্যে তিনি এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট (encounter specialist) হিসাবেও পরিচিত। তাঁর তৃণমূল প্রার্থীর বাড়িতে হানার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর নায়ক হিসাবে দর বাড়লেও তিনি যে আদতে কতটা খলনায়ক তা এবার তুলে ধরল তৃণমূল। তাঁর পুরোনো ইতিহাস বলছে, ২০২০ সালে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের বাইরে বদলি (transfer) করে দেওয়া হয় এই আইপিএসকে। বিজেপির সরকারই বাধ্য হয়েছিল রামপুরের তৎকালীন পুলিশ সুপার অজয় পাল শর্মাকে বদলি করে উন্নাওয়ের পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিতে।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল টাকা নিয়ে পছন্দমতো পোস্টিং (cash for posting) দেওয়ার। পুলিশ বিভাগেই দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন তিনি। আগের ছোটখাটো অপরাধ বিজেপির সরকার সেভাবে গুরুত্ব না দিলেও এই অভিযোগ এতটাই গুরুতর ছিল যে তাকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হয় যোগী প্রশাসন। তাঁর সঙ্গে অভিযুক্ত হন আরও ৫ আইপিএস আধিকারিক। তাঁদের বিরুদ্ধে সিট (SIT) গঠন করে তদন্তে বাধ্য হয় বিজেপির প্রশাসন।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে আরও বড় অভিযোগ রয়েছে, যেখানে এফআইআর পর্যন্ত করা হয়েছিল। এক মহিলাকে বিয়ে করে অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগ করেন অভিযোগকারিনী তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারিনী বিচারের আশায় রাজ্যে ডিজিপি পর্যন্ত গেলে তাঁর বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্র করেন অজয় পাল শর্মা (IPS Ajay Pal Sharma)। শেষ পর্যন্ত মহিলার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর পর্যন্ত দায়ের করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

আদতে এই পুলিশ আধিকারিক যে এভাবেই বিজেপির এজেন্ট হিসাবে কাজ করেন তা স্পষ্ট করে দেন উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। তিনি দাবি করেন, রামপুর, সম্ভল থেকে বিজেপি তাদের পরীক্ষিত এজেন্টদের পর্যবেক্ষকের নাম দিয়ে পাঠিয়েছে। কিন্তু তাতে কোনও ফল হবে না। এখানে দিদি আছেন, দিদি থাকবেন।

আরও পড়ুন : কমিশনের পর্যবেক্ষকদের অত্যাচার চলছে: ভিডিও তুলে ফাঁস তৃণমূলের

সেই সঙ্গে এই দুর্নীতিগ্রস্থ আইপিএসদের বিরুদ্ধে যে উত্তরপ্রদেশেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তারও দাবি করেন অখিলেশ। সপা প্রেসিডেন্টের কথায়, বিজেপির এই ‘অ্যাজেন্ডার এজেন্টদের’ ও তাদের সহযোগীদের অপরাধমূলক কাজের বিরুদ্ধে যথাসময়ে গভীর তদন্ত করা হবে। এবং তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। এরা সবাই আধিকারিকের নামে অলিখিত আন্ডারগ্রাউন্ড সদস্য। আমরা এদের পালাতেও দেব না, আন্ডারগ্রাউন্ড হতেও দেব না। এদের খুঁজব আর টেনে বের করব, এরা এদের কৃতকর্মের শাস্তি পাবেই। গণতন্ত্রের অপরাধীরা পার পাবে না।

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →