আলিপুরদুয়ারের জয়ন্তী নদীর বিস্তীর্ণ পাথুরে চর পেরিয়ে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী রাস্তা। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি ভিডিয়ো। (যদিও ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি জাগো বাংলা)। ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, নির্মাণস্থলে কাজের বিবরণ-সহ একটি সাইনবোর্ডও রয়েছে। সেখানে জয়ন্তী নদীর উপর অস্থায়ী রাস্তা নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সাইনবোর্ড অনুযায়ী, জেলা পরিষদের বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই কাজ চলছে এবং অর্থের উৎস হিসেবে জিপিএম ফান্ডের উল্লেখ রয়েছে। কাজের বরাত ও নির্ধারিত সময়সীমার তথ্যও বোর্ডে দেওয়া হয়েছে। 

তবে নদীর বুকের এই নির্মাণকাজকে ঘিরে স্থানীয় স্তরে নানা প্রশ্ন উঠছে। সাধারণ মানুষের দাবি, এই নির্মাণকাজ যদি সত্যি হত তাহলে বেশ কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারত। কিন্তু কোন কাজই করতে দেওয়া হচ্ছে না। উল্টে বোর্ড অনুযায়ী যখন কাজ শেষের কথা লেখা আছে, তার প্রায় এক মাস পরেও সেখানে দেখলেই বোঝা যাচ্ছে বোর্ড বেশিক্ষন আগে লাগানো হয়নি। শুধু তাই নয়, ২৭ জুলাই একটি নোটিস জারি করে লেখা হয়েছিল জয়ন্তী নদীতে যেন কেউ না নামে। তাহলে কাজটা হবে কী করে উঠছে সেই প্রশ্ন। সেই বরাদ্দ টাকাই বা কোথায়? কাদের টাকা? এছাড়াও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পরিবেশ এবং বর্ষাকালে এই অস্থায়ী রাস্তার প্রভাব কী হতে পারে—তা নিয়েই বিভিন্ন স্তরে এখন আলোচনা তুঙ্গে। প্রশাসনের তরফে এই নির্মাণ স্ক্যাম সম্পর্কে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।