রাজ্যসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন জারি হওয়ার পরেই তৎপরতা তুঙ্গে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে। দলের প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত ঘোষণা এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তার আগেই বিধানসভায় শুরু হয়ে গেল আইনি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির কাজ। প্রস্তাবক হিসেবে নথিপত্রে সই করতে এদিন দিনভর বিধানসভায় আনাগোনা চলল তৃণমূলের বিধায়কদের।

নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যসভার এক-একজন প্রার্থীর জন্য অন্তত ১০ জন বিধায়ককে প্রস্তাবক হিসেবে সই করতে হয়। তবে কোনও যান্ত্রিক বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাতে মনোনয়ন বাতিল না হয়, তাই বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে শাসকদল। প্রতিটি প্রার্থীর জন্য একাধিক সেটে সই করানো হচ্ছে বিধায়কদের দিয়ে। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় ৯০ জন তৃণমূল বিধায়ক তাঁদের সই পর্ব মিটিয়েছেন। দলীয় সূত্রে খবর, এই প্রক্রিয়া শুক্রবার এবং আগামী সোমবারও জারি থাকবে। এর পরেই হবে স্ক্রুটিনি বা নথিপত্র পরীক্ষার কাজ।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে প্রার্থীদের একগুচ্ছ নথিপত্র তৈরি করতে হয়। এই কাজে প্রতিবারই অভিজ্ঞ ও প্রবীণ বিধায়ক-সাংসদরা পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেন। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিধানসভার অন্দরমহল ছিল সরগরম। একদিকে যখন সই পর্ব চলছে, অন্যদিকে তখন মন্ত্রী ও বিধায়কদের ভিড় আর জল্পনায় জমজমাট অলিন্দ। সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের ঘরে এদিন দীর্ঘক্ষণ আলোচনায় মাততে দেখা গেল মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, কল্লোল খাঁ এবং নির্মল মাজিদের। এক-একজন বিধায়ক ঘরে আসছেন, সই সারছেন এবং শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে যাচ্ছেন। দলের প্রার্থী তালিকায় কারা স্থান পেতে চলেছেন, তা নিয়ে অন্দরে চর্চা চললেও সরকারিভাবে মুখ খোলেননি কেউ। সব মিলিয়ে রাজ্যসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে এখন সাজ সাজ রব। প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরেই চূড়ান্ত মনোনয়ন পেশের তোড়জোড় শুরু করবে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন- ৪৩০ মডেল স্কুল থেকে অঙ্গনওয়াড়ি উন্নয়ন: সাড়ে ৪ হাজার কোটির নতুন প্রকল্প

_

_

_

_

_

_
_


