Tuesday, May 12, 2026

‘মা দুর্গার লড়াই’-এর পাশে রাজ-শুভশ্রী থেকে রচনা, ‘বাঘিনী’ মমতাকে কুর্নিশ মিমির

Date:

Share post:

গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল টলিউডের তারকারা। রাজ-শুভশ্রী থেকে রচনা দ্বিতীয় দফায় নিজেদের ভোট দিলেন তারকা সাংসদ থেকে তৃণমূলের সেলেব্রিটি প্রার্থী। শেষ দফার নির্বাচনের সকালে ভোট দিলেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ রচনা তুলে ধরলেন তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান। অন্যদিকে তারকা দম্পতি রাজ-শুভশ্রী বিরোধীদের দিলেন কড়া বার্তা।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলোর কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ব্যালট বক্সের সামনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার আগে একবার অন্তত ভাববেন যে, বিগত ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য কী কী উন্নয়ন করেছেন। কন্যাশ্রী থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার—প্রতিটি প্রকল্পের সুবিধা মানুষ ঘরে বসে পাচ্ছেন। তিনি যা প্রতিশ্রুতি দেন, তা রক্ষা করেন।” পাশাপাশি তিনি বলেন এই লড়াইটা কঠিন হলেও জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। গত কয়েক মাস ধরে দলের সব স্তরের কর্মীরা যেভাবে পরিশ্রম করেছেন, তার প্রতিফলন ইভিএমে দেখা যাবে বলে আশাবাদী এই তারকা প্রার্থী।

অন্যদিকে, দেবী দুর্গার লড়াইয়ের তুলনা টানেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি আসলে একজনকে চিনি, তিনি হলেন আমাদের মা দুর্গা। প্রতিবারই যেমন অসুর লড়াই করতে আসে, এবারও তেমনই প্রচুর বাহিনী নিয়ে অসুরেরা লড়াই করতে এসেছে। কিন্তু মা দুর্গা একাই তাদের দমন করবেন। খেলা এবার শেষ হতে চলেছে।” রাজ চক্রবর্তীও শুভশ্রীর সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বাঘিনী, তাঁর সঙ্গে লড়াই করা সহজ নয়। এই ভোটটা যদি মহালয়ার দিন হতো, তবে আরও ভালো হতো।”

অন্যদিকে মঙ্গলবার রাতে রাজ্যের নির্বাচনী উত্তাপ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই সমাজমাধ্যমে তৃণমূল সুপ্রিমোকে ‘বাঘিনী’ সম্বোধন করে আবেগঘন পোস্ট করলেন যাদবপুরের প্রাক্তন সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। মিমি লিখেছেন, এই লড়াই কেবল রাজনীতির নয়, বরং পিতৃতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক নারীর একক সাহসিকতার লড়াই। এক্স হ্যান্ডলে মিমি লেখেন, “সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে একজন নারীই পিতৃতন্ত্রের ভিতকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। নারী হিসেবে তাঁর এই জেদ ও শক্তিকে কুর্নিশ জানাই। এটা রাজনৈতিক বিষয় নয়, এক বাঘিনীর লড়াই।” ২০১৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই রাজনীতির আঙিনায় পা রেখেছিলেন মিমি। ২০২৪ সালে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সাময়িক বিরতি নিয়েছেন তিনি। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা যুদ্ধের চূড়ান্ত লগ্নে তিনি যে আজও নেত্রীর আদর্শে অটল, তা এই পোস্টেই স্পষ্ট।

Related articles

STF-র জালে মাওবাদী নেত্রী শ্রদ্ধা, একই দিনে আত্মসমর্পণ মাওনেতারও: সহযোদ্ধাদের মূলস্রোতে ফেরার আহ্বান

কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেত্রী শ্রদ্ধা বিশ্বাস (Shradha Biswas) ওরফে বেলা। বছর ষাটের ওই মাওবাদী নেত্রীর (Maoist Leader)...

শিল্প নিয়ে সৌরভকে কটাক্ষ শমীকের, বণিক সভার মঞ্চেই শিল্পপতিদের দিলেন বার্তা

২০২৩ সালে স্পেন সফরে গিয়ে বাংলায় ইস্পাত কারখানা করার ঘোষণা করেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এক সপ্তাহ...

মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ হিমন্ত বিশ্বশর্মার: মন্ত্রিত্ব জোট বিধায়কদের

বিধানসভা নির্বাচনে ৩৮ শতাংশ ভোট নিয়ে ফের একবার অসমের ক্ষমতায় এনডিএ জোটের সরকার। ফের একবার মুখ্যমন্ত্রীর পদে হিমন্ত...

রাজনীতি মুক্ত ময়দান, দায়িত্ব নিয়েই মেসি কাণ্ডের তদন্ত কী বললেন নিশীথ?

সোমবারই রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। মঙ্গলবার থেকেই কাজ শুরু করে দিলেন রাজ্যের নয়া ক্রীড়া...