কলকাতায় এলে যে হোটেলে ওঠেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অমিত শাহরা সেই হোটেলের সেই রুমেই এসে উঠেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। এটা কাকতলীয় হতে পারে না। সোমবার ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে বোমা ফাটালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বিজেপি-নির্বাচন কমিশনের (BJP-Election Commission) আঁতাঁতের অভিযোগে যেন সিলমোহর পড়ে গেল।

বৈধ ভোটারদের ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটার প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রথম দিনের পরে সোমবার ফের ধর্না মঞ্চে হাজির হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। আর সেখান থেকেই বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে এক বন্ধনীতে রেখে আক্রমণ করেন তিনি। জ্ঞানেশ কুমারের হোটেলে থাকা ঘিরে প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। পরিসংখ্যানে দিয়ে তৃণমূলের সেনাপতি বলেন, কলকাতায় ছোট-বড় ৫০০০-এর বেশি হোটেল রয়েছে। গড়ে ৫০টি করে ঘর ধরলেও শহরে প্রায় আড়াই লক্ষ রুম আছে। তাঁর দাবি, “দিল্লির বাবুরা, অমিত শাহ থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি— তাঁরা এসে যে হোটেলে ওঠেন, যে ঘরে ওঠেন, সেই একই হোটেলের একই ঘরে গিয়ে উঠেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এ তো নেহাত কাকতালীয় হতে পারে না।” অভিষেকের অভিযোগ, যাঁদের অঙ্গুলিহেলনে বাঙালিদের, বাংলাভাষীদের উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে, তাঁদের সঙ্গেই যোগসাজশ রাখছেন কমিশনের প্রধান।

এই বিধানসভা নির্বাচন ‘শাস্তি দেওয়ার লড়াই’ হিসেবে দেখছেন অভিষেক। তাঁর কথায়, “আগামীর লড়াই, এদের শূন্য করার লড়াই। এই লড়াই খালি তৃণমূলকে চতুর্থবার জেতানো নয়। এটা ভোট টু ইলেক্ট নয়, এটা ভোট টু পানিশ।”

আরও পড়ুন- এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে মৃত্যুমিছিল! প্রতিবাদে দিনহাটায় উদয়নের নেতৃত্বে অনশনে তৃণমূল

_

_

_

_

_

_
_
