মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই বকেয়া মহার্ঘভাতা (ডিএ) মেটানো সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। সেখানে জানানো হয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জমে থাকা বকেয়া ডিএ ধাপে ধাপে কর্মীদের দেওয়া হবে। এই সুবিধার আওতায় থাকবেন রাজ্য সরকারি কর্মী, সরকারি পোষিত সংস্থার কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীরাও।

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। প্রথম কিস্তির অর্থ দেওয়া হবে চলতি মার্চ মাসেই। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। অন্যদিকে, বাকি সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে সেই অর্থ তাঁদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা থাকবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে তা তোলা যাবে না। তবে এই সময়ের মধ্যে কেউ অবসর নিলে, চাকরি ছাড়লে বা মৃত্যু হলে সেই অর্থ তুলতে কোনও বাধা থাকবে না। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া অর্থ সরাসরি তাঁদের পেনশন অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। পারিবারিক পেনশনভোগীরাও একইভাবে সেই অর্থ পাবেন। অন্যদিকে স্কুল, কলেজ, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং বিভিন্ন সরকারি পোষিত সংস্থার কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র অঙ্ক আগে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে অর্থ দফতরের কাছে পাঠাতে হবে। সেই তথ্য হাতে পাওয়ার পরই রাজ্য সরকার জানাবে, কীভাবে এবং কবে তাঁদের বকেয়া অর্থ মেটানো হবে।

_

_

_

_

_

_

_


