বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে (Border Gavaskar Trophy 2027) ব্রাত্য কলকাতা। ঐতিহ্যের ইডেনে(Eden) শেষবার ২০০১ সালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট হয়েছিল। ঘরের মাঠে ভারতের নামমাত্র জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ পেয়েছে কলকাতা। বোর্ডের সূচি নিয়ে এবার মুখ খুললেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়(Sourav Ganguly)।

বোর্ডের ম্যাচ ভেন্যু প্রসঙ্গে সৌরভ (Sourav Ganguly) বলেন, ইডেনে টেস্ট হওয়া অবশ্যই বিশেষ ব্যাপার, কিন্তু সব ভেন্যুকে সুযোগ দেওয়াটাও জরুরি। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইডেনে টেস্ট হয়েছে, টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ও আইপিএলের (IPL) ম্যাচও আয়োজন করেছে এই মাঠ। তাই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সব শহরকে সুযোগ দেওয়ার নীতিতেই হাঁটছে বোর্ড। অর্থাৎ আবেগ নয়, বোর্ডের রোটেশন নীতিকেই সমর্থন করছেন তিনি।

সূচি বলছে, পাঁচ ম্যাচের সিরিজ শুরু হবে নাগপুরে (Nagpur), দ্বিতীয় চেন্নাইতে (Chennai), গুয়াহাটিতে (Guwahati)তৃতীয় টেস্ট, চতুর্থ রাঁচিতে (Ranchi) এবং আমদাবাদে (Ahmedabad)শেষ ম্যাচ । অর্থাৎ, একাধিক নতুন বা তুলনামূলক কম ঐতিহ্যবাহী ভেন্যু জায়গা পেলেও কলকাতার মতো আইকনিক কেন্দ্র নেই তালিকায়। শুধু তাই নয়, বাদ পড়েছে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েও (Wankhede Stadium)।

এই তালিকা সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে। এখানেই উঠছে আরেক প্রশ্ন। যদি রোটেশনই মূলনীতি হয়, তাহলে কেন তুলনামূলক নতুন ভেন্যু আসামের গুয়াহাটির বরসাপাড়া স্টেডিয়াম (Barsapara Stadium) খুব দ্রুত বড় সিরিজের সুযোগ পাচ্ছে? আর কেন ঐতিহ্যের দিক থেকে অনেক এগিয়ে থাকা ইডেন বারবার বাদ পড়ছে?

কারণ হিসেবে কেউ কেউ টানছেন প্রশাসনিক যোগসূত্রও। আইসিসি (ICC) চেয়ারম্যান জয় শাহ (Jay Shah)-এর শিকড় আমদাবাদে, আর দেবজিত সাইকিয়া (Devajit Saikia) অসমের মানুষ। তাই গুয়াহাটি বা আমদাবাদের বাড়তি গুরুত্ব নিয়ে জল্পনা থামছে না। যদিও এমন কোনও অভিযোগ মানতে নারাজ বোর্ড (BCCI), তাদের দাবি, ক্রিকেটকে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দিতেই এই রোটেশন নীতি।

–

–

–

–

–
–
