কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ ও ঘেরাওয়ের ঘটনায় এফআইআর দায়ের। হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলায় কলকাতার ২ কাউন্সিলর-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে কমিশনকেই (Election Commission) নিশানা করেছেন কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু (Shanti Ranjan Kundu)। তাঁর কথায়, কোনও ভাঙচুর, হামলা করিনি। গেটের থেকে অনেক দূরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করেছি, তাতেও যদি অভিযোগ করে বুঝতে হবে, ভিতরে নিশ্চয় কোনও বেআইনি কাজ হচ্ছিল। 

বেআইনিভাবে ব্যাগ ভরে ভরে ফর্ম সিক্স বিজেপি (BJP) নির্বাচন কমিশনের অফিসে জমা করছে বিজেপি- এই অভিযোগ তুলে সরব হন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কমিশনে নালিশ জানান তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Benarjee)। সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এর পরে ৩১ মার্চ রাত থেকে ১ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড ও হেয়ার স্ট্রিট মোড়ে, শিপিং কর্পোরেশন ভবনের সামনে সিইও দফতরের বাইরে অবস্থান করেন তৃণমূল কাউন্সিলর ও কর্মীরা। ব্যানার, পোস্টার ছাড়া শান্তিপূর্ণ অবস্থান করেন তাঁরা। 

পুলিশ সূত্রে খবর, বেআইনি জমায়েত করে পুলিশি নির্দেশ অমান্য করা এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগ তুলে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সচিন সিং, কয়েকজন—মহম্মদ ওয়াসিম, মইদুল, চন্দ্রকান্ত সিং, মহম্মদ রিজওয়ান আলি-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা রাস্তায় আংশিক অবরোধ তৈরি করে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটান এবং CEO-র বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক স্লোগান তোলেন। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এক সাব-ইন্সপেক্টরকে।

–

–

–

–

–
–
