নিজের নতুন গান ‘টাটিরি’ (Tatiri Song Controversy) ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই বাদশার (Badshah)। গানের কথা ও দৃশ্যায়নে নারীদের অবমাননাকরভাবে তুলে ধরার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। গানের কথা নিয়েও সমালোচনার ঝড় ওঠে নেট দুনিয়া জুড়ে। যার জেরে আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছে বিখ্যাত এই র্যাপারকে। হরিয়ানা থানায় এই নিয়ে দায়ের হয় একাধিক এফআইআর। গায়ককে তলব করে পাঠায় রাজ্যের মহিলা কমিশনও। মঙ্গলবার সেই প্রেক্ষিতে কমিশনের দফতরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইলেন বাদশা ও তাঁর টিম। নারীকে পণ্য হিসেবে দেখানোর বদলে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে গান লিখে ‘ভুলের খেসারত’ দেবেন বলেন জানালেন।

মঙ্গলবার শুনানির সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের (National Commission for Women) চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকরও। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে এমন কনটেন্ট কোনওভাবেই রেয়াৎ করা হবে না। বাদশাকে সতর্ক করে জানানো হয়, ভবিষ্যতে যাতে এইরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। শুনানির সময় বাদশা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওই মিউজিক ভিডিওর পরিচালক জোবান সান্ধু, মহাবীর সিং এবং প্রযোজক হিতেন। এরপরেও ক্ষমা চেয়ে বাদশা জানান, খুব শিগগিরি নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে গান বাঁধবেন তিনি। মহিলা কমিশনকে তিনি বলেন, “এবার থেকে নারী ও সমাজের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করব। আগামী চার মাসের মধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি ইতিবাচক গান উপহার দেব সকলকে এবং ভবিষ্যতে এধরনের কোনও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকব না।”

বিতর্কিত মিউজিক ভিডিওতে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রীদের অশালীন অঙ্গভঙ্গির সঙ্গে নাচের দৃশ্য এবং গানের চটুল কথাবার্তা ঘিরেই মূল আপত্তি ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে হরিয়ানা পুলিশ ইতিমধ্যেই গানের ৩৫টি লিংক সরিয়ে দিয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে। ক্ষমা চেয়ে বাদশা জানান, ভবিষ্যতে এই ধরনের কনটেন্ট থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখবেন। বিভিন্ন মহল থেকে গানটির উপর নিষেধাজ্ঞার দাবিও ওঠে। সেই প্রেক্ষিতেই চাপের মুখে সুর নরম করে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন এই জনপ্রিয় গায়ক।

–

–

–

–

–

–
–
