ট্রাইব্যুনালে বিচার হওয়ার আগেই কেন ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’? বুধবার, শ্রীরামপুরের নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল (TMC) সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সভানেত্রীর কথায়,”মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে ট্রাইব্যুনালের দরকার কী? কেন ট্রাইবুনাল তৈরি করেছিলেন। তার পরে বলছেন ফ্রোজেন (Frozen) করে দিলাম। আবার আমরা চ্যালেঞ্জ করব। আমরা জানতে চাইব। জানার অধিকার আছে। মানুষের নাম তোলার অধিকার আছে।”

প্রায় ৬০ লক্ষ ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৬ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে বাংলায়। কিন্তু তাঁরা ভোটের আগেই আপিল ট্রাইব্যুনালে (Tribunal) ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন কি না- তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত সোমবারই ছিল রাজ্যের প্রথম দফার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, সে দিনই এই আসনগুলির ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ অর্থাৎ চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।

সেই বিষয় নিয়েই এদিন শ্রীরামপুরের সভা থেকে সরব হন মমতা। তাঁর কথায়, ”আমি সুপ্রিম কোর্টকে সম্মান জানিয়ে একটা কথা কল্যাণকে একটা কথা জিজ্ঞেস করছি। আমি সন্তুষ্ট নয়। আমাকে একটু স্পষ্ট করো। যখন সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিল ট্রাইব্যুনাল (Tribunal) হবে। অ্যাডজুডিকেশন কেসে যাদের নাম বাতিল হয়েছে, তারা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ পাবে। এখন ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছে। আমি পরের দিনই বাড়ি দিয়ে দিয়েছি। সেই ট্রাইবুনাল চলাকালীন কী ভাবে প্রথম দফার ভোটার লিস্ট ফ্রোজেন হয়ে গেল? আমার মাথায় এটা ঢুকছে না।”

দলনেত্রীর প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”গতকাল রাত পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের ইনফ্রাস্ট্রাকচার এখনও নির্বাচন কমিশন করেনি। সেই কারণে ট্রাইব্যুনাল এখনও ফাংশন করতে পারছে না।”

তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেন, ”মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে ট্রাইব্যুনালের দরকার কী? কেন ট্রাইবুনাল তৈরি করেছিলেন। তার পরে বলছেন ফ্রোজেন করে দিলাম। আবার আমরা চ্যালেঞ্জ করব। আমরা জানতে চাইব। জানার অধিকার আছে। মানুষের নাম তোলার অধিকার আছে।”

–

–

–

–
–
