কেকেআরের(KKR) জয়ের স্বপ্নকে ভ্যানিশ করে দিয়ে রাতারাতি খবরের শিরোনামে মুকুল চৌধুরি(Mukul Chowdhury), সোনার কেল্লার মুকুলের সঙ্গে এই মুকুলেরও রয়েছে রাজস্থান(Rajastan) যোগ।

ঝুনঝুনুতে ক্রিকেট খেলার তেমন পরিকাঠামো না থাকায় তাঁর পিতা দলীপ কুমার চৌধরি তাঁকে রাজস্থানেরই সিকারের একটি ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই শুরু ক্রিকেটের যাত্রা।

রাজস্থানের ঝুনঝুনুর তরুণ লখনউ স্পটারদের নজরে পড়েন নিলামের কয়েক মাস আগে। তাঁকে একটি প্রস্তুতি শিবিরে ডাকা হয়েছিল। সেখানেই লখনউ কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের নজরে পড়ে যান। নিলামে ২.৬০ কোটি টাকায় এই তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটারকে দলে নিয়েছিল এলএসজি। তরুণ প্রতিভাকে ঠিক মতোই যে পালিশ করেছেন ল্যাঙ্গাররা সেটা কেকেআর ম্যাচ থেকেই প্রমাণিত।

ইডেনে নাইটদের বিরুদ্ধে ২২ গজে ২৭ বলে ৫২ রানের অপরাজিত ইনিংসে ২টি চার এবং ৭টি ছয় মেরেছেন মুকুল। আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন। ইডেনের নতুন মুকুলকে ঘিরে উৎসবে মেতেছিল লখনউ শিবির। সতীর্থরা তাঁকে ঘিরে উল্লাসে মাতেন।এরপরেই মাঠে নেমে আসেন লখনউয়ের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।। কাঁধে হাত রেখে জড়িয়ে ধরেন মুকুলকে (Mukul Chowdhury)। বেশ খানিকক্ষণ কথা বলেন। স্নেহের পরশে ভরান মুকুলকে।

মুকুলের আদর্শ মহেন্দ্র সিং ধোনি। মুকুলের কথায়, “ধোনি ভাই আমার সবচেয়ে প্রিয়। আদর্শ বলতে পারেন। ওঁর থেকে এভাবে ম্যাচ শেষ করে আসার শিক্ষা পেয়েছি।মাথা ঠান্ডা রাখাই আসল। দু’-এক বছর আগেও খুব তাড়াহুড়ো করতাম। গত কয়েক মাস ধরে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করেছি। ধৈর্য বাড়ানোর চেষ্টা করেছি।”

ধোনির সঙ্গে আরও মিল আছে মুকুলের। দলীপ ট্রফিতে সুযোগ পেয়ে ধোনি যেমন গাড়ি করে রাঁচি থেকে কলকাতায় আসেন, তেমনই মুকুলও সৈয়দ মুস্তাক আলিতে সুযোগ পেয়ে বিমান না পেয়ে সিকর থেকে আহমেদাবাদ গাড়ি করে চলে যান। মুকলের ফিনিশেও মাহিরই ছোঁয়া।

–

–

–
–
