আমেরিকার সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগে যখন হরমুজ (Strait of Harmuz) আংশিক ভাবে খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান, তখন ভারত-সহ যে দেশগুলিকে সাময়িকভাবে রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কেনায় ‘ছাড়’ দিয়েছিল মার্কিন মুলুক তাদের জন্য বড় ঘোষণা ট্রাম্পের। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট (US Treasury Secretary Scott Besant) বলেন, “রুশ এবং ইরানি তেল কেনার ক্ষেত্রে যে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না।” বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন আমেরিকার এই ঘোষণার ফলে চাপ বাড়তে পারে ভারতের উপর।

প্রায় দু মাস ধরে পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতি চলাকালীন মার্কিন ছাড়ের ফলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে অস্থিরতার মধ্যেও রুশ তেল আমদানি করতে পেরেছে নয়া দিল্লি। এমনকি এই সময়কালে দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর পর ভারতে পৌঁছয়ে ইরানি তেল। কিন্তু এবার হরমুজ সংকটের মধ্যেই রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কেনার ছাড় তুলে নিল আমেরিকা। মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্পষ্ট জানিয়েছেন, আর লাইসেন্স নবীকরণ করা হবে না। কারণ ১১ মার্চের আগে জাহাজে লোড হয়ে যেতেন সমুদ্রে পৌঁছেছিল তার জন্যই এই ছাড় বরাদ্দ ছিল। সেই তেল ইতিমধ্যেই ব্যবহৃত হয়ে গিয়েছে। যদি কোনও দেশ রুশ এবং ইরানি তেল কেনে, তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে আমেরিকা। ফলে দেশে পেট্রোপণ্যের যে বিপুল চাহিদা তা পূরণ করার ক্ষেত্রে এবার চাপ বাড়তে চলেছে মোদি সরকারের।

–

–

–

–

–

–
–
–
