বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের (WBLA 2026) ভোট গণনা শুরু হতে আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। তার আগে বারবার শিরোনামে স্ট্রংরুম বিতর্ক (Strong Room controversy) । এবার ঘটনাস্থল বিধাননগর কলেজ (Bidhannagar College)। শনিবার রাতে এই কলেজে ইভিএম (EVM) নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। কলেজের বাইরে দলীয় পতাকা লাগানো নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। ঘাসফুলের সমর্থকদের উপর চড়াও হয় বিজেপি (BJP) এমনটাই অভিযোগ। দুই দলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বচসা, স্লোগান পাল্টা স্লোগান থেকে হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায় পরিস্থিতি। দুপক্ষের জমায়েতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়লে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central force) ও পুলিশের তরফে মাইকিং করে উপস্থিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা হয়।পরে ব্যারিকেড করে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। এরপরই অতিসক্রিয়তা দেখিয়ে বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের উপর কমিশনের (EC) নির্দেশে কাজ করা কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করে রাজ্যের শাসকদল।

দু দফা ভোটের পর আগামী সোমবার অর্থাৎ ৪ মে সকাল আটটা থেকে গণনা শুরু হবে। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রথমে কলকাতা এবং তারপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে স্ট্রংরুমেরগুলির নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। কোথাও রহস্যজনক গতিবিধি কোথাও আবার সিসিটিভি ক্যামেরা অকেজো থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে। বিধাননগরের সরকারি কলেজে বিধাননগর, রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের ইভিএমগুলি রাখা হয়েছে। রাতের উত্তেজনার পরিস্থিতির পর সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তৃণমূল ও বিজেপি দুপক্ষই কমিশনকে অভিযোগ জানাবে বলে খবর মিলেছে। তবে শুধু কলকাতা বা পার্শ্ববর্তী এলাকাতেই নয় রাজ্যজুড়েই শ্রমরূপ সংঘাত চরমে। কমিশনের তরফে গণনা কেন্দ্রগুলিতেও নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। ১৬৩ ধারা জারি করার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের চার গণনাকেন্দ্রকে নো ফ্লাইং জোন ঘোষণা করেছে কমিশন।
–

–

–

–

–

—
–
