রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর সকালে এক অন্যরকম বাংলার ছবি। ‘হে নূতন দেখা দিক আর-বার’ বলেছিলেন যে বিশ্বকবি, পঁচিশে বৈশাখের সকালে তাঁর সুরে মিশে গেল বাংলার উত্তর থেকে দক্ষিণের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি। শনিবার সকাল থেকে ব্রিগেডমুখী বাংলা। প্রথম বিজেপি সরকারের (BJP Government) প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আজ সবার নজর ময়দান চত্বরে দিকে। জেলা থেকে দলে দলে পদ্মকর্মী সমর্থকেরা পৌঁছে যাচ্ছেন গৈরিক বাংলার সূচনার সাক্ষী হতে। কারো হাতে গেরুয়া পতাকা, কেউ বাউল বেশে একতারা হাতে পৌঁছে গেছেন ব্রিগেডে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মঞ্চে রাখা হচ্ছে কবিগুরুর ছবি। অর্থাৎ এটা খুব স্পষ্ট যে পঁচিশে বৈশাখের আবেগের কথা মাথায় রেখে বাঙালিয়ানা শান দেওয়ার চেষ্টা বিজেপির।মাঠ জুড়ে ঝালমুড়ি-মিষ্টির স্টলে বাড়ছে ভিড়।



দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রথমবারের জন্য সরকার গড়তে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এই প্রথমবার বাংলার কোনও মুখ্যমন্ত্রী ব্রিগেডের শপথ নেবেন। ভোর থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর (Subhendu Adhikari) জেলা পূর্ব মেদিনীপুর থেকে অনুগামীরা আসতে শুরু করেছেন। অন্যান্য জেলা থেকেও ট্রেন-বাসে করে গেরুয়া দলের নেতাকর্মী সমর্থকরা ব্রিগেডে উপস্থিত হচ্ছেন। ভিড় বাড়ছে হাওড়া ফেরিঘাটেও।বাঙালিয়ানের শান দিয়ে আজ বিজেপির অনুষ্ঠানে সব বিধায়করা ধুতি পাঞ্জাবি পরে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। এই মুহূর্তে ব্রিগেডমুখী পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী, সকাল সাড়ে নটা নাগাদ গেরুয়া পোশাকে বাড়ি থেকে রওনা দিয়েছেন তিনি। আজ সকাল থেকে ব্রিগেডের ছবিটা একেবারে অন্যরকম। একাধিক মিষ্টির স্টল বসানো হয়েছে যেখানে গেরুয়া রসগোল্লার পাশাপাশি রয়েছে পদ্ম সন্দেশ। কেউ সেজেছেন রাম, কারোর হাতে গদা।বিজেপি অনুগামী সমর্থকরা কেউ শঙ্খ বাজাচ্ছেন, কোথাও আবার ছৌ নাচ-মাদলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে বাউল সুর।

–

–

–

–

–

–
–
–

