প্রয়াত টুটু বোস(Tutu Bose)। মোহনবাগান ক্লাবে একটা অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে রত্ন সম্মান প্রদান করা হয়। সেদিনই মোহনবাগানের ক্যান্টিন তাঁর নামে করার আবেদন করেন টুটু। মোহনবাগান ক্লাবে চূনী গোস্বামী থেকে অঞ্জন মিত্রের নাামাঙ্কিত স্থান আছে, এবার সেই তালিকায় জুড়ছেন টুটুও!
টুটুর(Tutu Bose) স্মরণ সভা বড় করে করার পরিকল্পনা নিচ্ছে মোহনবাগান ক্লাব। তবে ক্লাব নয় টুটুর স্মরণসভা হতে পারে নেতাজী ইন্ডোরে। বেশি সংখ্যায় সদস্য সমর্থকরা যাতে স্মরণসভায় যোগ দিতে পারেন তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন কর্তারা।

মোহনবাগান সমর্থকদের চোখে চোখ রেখে জবাব দিতে শিখিয়েছেন টুটু বোস | আবেগ তাড়িত মোহনবাগানের সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, ”আমার সঙ্গে টুটুদার পরিচয় দীর্ঘদিনের। আমাদের সম্পর্কটা ছিল বন্ধুর মতো। আমার বাবাকে হারিয়েছি। সেই দিক থেকে বলতে গেলে টুটুদা, অঞ্জনদা ছিলেন আমার অভিভাবক। আজ আমি অভিভাবকহীন হলাম। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের বলেছেন নেতাজী ইন্ডোরে বড় করে স্মরণ সভা করার জন্য। আমরা পরবর্তী বৈঠকে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। শুধুমাত্র একটা ক্যান্টিনের নাম করণ করলেই হবে না, টুটু দার যা কর্ম তাতে তাঁর কর্মকাণ্ডকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌছে দিতে হবে সেটাই হবে তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা। টুটু এবং অঞ্জন দা মোহনবাগান ক্লাবের আধুনিকীকরণ করেছিলেন, আমাদের দায়িত্ব আরও আধুনিক করতে হবে। ”

আগামী রবিবার ডার্বি, সেই ম্যাচে নীরবতা পালনের জন্য ফেডারেশনকে আবেদন করবে মোহনবাগান। তবে কালো আর্ম ব্যান্ডের কোনও পরিকল্পনা নেই বাগানের।

ক্লাব তাঁবুতে আসেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক , ফেডারেশন সভাপতি কল্যান চৌবে। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ টুটু বসু মানেই মোহনবাগান, মোহনবাগান মানেই টুটু বোস। বাংলার ফুটবলের সঙ্গে টুটু বসুর সম্পর্ক ছিল বরাবরই আত্মিক। আমি মোহনবাগান ক্লাবে এসেছি ব্যক্তিগত ভাবে ও রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়াত টুটু বোসকে শ্রদ্ধা জানাতে।

মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের তরফে আজ টুটু বসুর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান মিডিয়া ম্যানেজার রতন চক্রবর্তী এবং স্টেডিয়াম ম্যানেজার আশীষ সরকার।

–

–
–
–
–
–
