ফলতার পুনর্নির্বাচন থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত একেবারে তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, সাফ জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলতা পুনর্নির্বাচন (Falta By-election) থেকে জাহাঙ্গীরের সরে দাঁড় বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, এটা তৃণমূলের কৌশল। ভোটের আগে ইচ্ছা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলা হচ্ছে। এর পিছনে কোনও ছক থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু।
একটি বিজ্ঞপ্তিতে তৃণমূল জানিয়েছ,”ফলতার পুনর্নির্বাচন (Falta by-election) থেকে জাহাঙ্গীর খানের (Jahangir Khan) সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত। দল এই সিদ্ধান্ত নেয়নি। ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে শুধু ফলতা আসনেই তৃণমূলের শতাধিক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিনের আলোয় ভয় দেখিয়ে দলের বেশ কয়েকটি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং জোর করে দখল করা হয়েছে। অথচ বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন দেখেও না দেখার ভান করছে। এইসব চাপের মুখেও তৃণমূল কর্মীরা অটল রয়েছেন।”

দল আরও জানিয়েছে,”বিভিন্ন সংস্থা ও প্রশাসনের মাধ্যমে বিজেপি যে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা। তবে, শেষ পর্যন্ত কেউ কেউ চাপের কাছে নতি স্বীকার করে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” তৃণমূল জানিয়েছে, “আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। বাংলা বিরোধী বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি দুই জায়গাতেই চলবে।”

আরও পড়ুন : ফলতার পুনর্নির্বাচনের প্রচারের শেষদিনে বিরাট চমক! লড়াই থেকে সরে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানান, “জাহাঙ্গীর খানের (Jahangir Khan) আচমকা নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘটনায় অনেকে ভয়ের কথা বলছেন, কেউ বলছেন চাপ। কিন্তু চাপ থাকলে আগে এই সিদ্ধান্ত নয় কেন? ভয়ের পরিবেশ থাকলে বাড়িতে কেন? এখন তো সব ইভিএমে ওঁর নাম, ছবি, প্রতীক সব রয়েছে। সব কমপ্লিট। কমিশনের কাছে অফিসিয়াল কোনও কিছু জানিয়ে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যেও প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেননি তিনি। তাহলে নির্বাচনে জিতলে কি তিনি সার্টিফিকেট নেবেন না? নাকি এখানে অন্য কোনও ছক রয়েছে?”

–

–

–
–
–
