রাতারাতি ১৫ মিলিয়ন ফলোয়ারের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে ব্যাঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। একাধিক প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তবে কী যুব সমাজের মাথা চাড়া দেওয়ায় কেন্দ্রের ভরসা আউট, ভয় ইন? ভারতে বন্ধ হয়ে গেল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র এক্স হ্যান্ডলের অ্যাকাউন্ট। মাত্র চার দিনে সমাজমাধ্যমে খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্টটি। ইনস্টাগ্রামেও ফলোয়ার্স সংখ্যা বিজেপিকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তারপরেই এক্স কর্তৃপক্ষ ভারতে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।
এক্স হ্যান্ডলের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট দেশের কোনও সরকারি সংস্থা বা আইনি ক্ষমতা আছে এমন প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও নির্দেশ এলে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাকাউন্টটি যদিও সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয় না। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দেশের ব্যবহারকারীরা যাতে অ্যাকাউন্টটির কনটেন্ট দেখতে না পান, সেই ব্যবস্থা করা হয়। যদিও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষ অ্যাকাউন্টটি দেখতে পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা ব্লক শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট দেশ বা এলাকাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, যেখানকার সরকার বা আইনি কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশ দিয়েছেন অথবা যেখানে অ্যাকাউন্টটির কনটেন্ট স্থানীয় আইন ভেঙেছে।’

প্রসঙ্গত, দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার তরুণ-তরুণীদের একাংশ ‘আরশোলা’-র মতো আচরণ করছেন বলার পরেই সমাজমাধ্যমে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র যাত্রা শুরু হয়। জেন জি-দের মধ্যেও বিপুল জনপ্রিয় হয় এই একাউন্ট। গত কয়েকদিনে ইনস্টাগ্রামে এই মঞ্চের অনুগামীর সংখ্যা বিজেপির চেয়ে প্রায় ৫০ লক্ষ বেশি হয়ে যায়। এবার প্রশ্ন উঠছে তবে কী জনরোষকে ভয় পাচ্ছে কেন্দ্র? স্বাধীনচেতা কোন মাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার সবরকম প্রচেষ্টা তাই চালিয়ে যাচ্ছে? অভিজিৎ দীপকে প্রথম থেকেই জানান দেশের যুবসমাজের ভাবনা, তাঁদের প্রতিবাদ তুলে ধরতেই নতুন প্ল্যাটফর্ম গড়ার ভাবনা মাথায় এসেছিল তাঁর। তবে কী এবার যুবসমাজের প্রতিবাদ দেশের সবথেকে প্রভাবশালী দলের ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

আরও পড়ুন – ইবোলার জেরে দিল্লিতে স্থগিত চতুর্থ ‘ভারত-আফ্রিকা ফোরাম সামিট’

_

_

_

_
_
_
_
