জমি কেলেঙ্কারির তদন্তে কলকাতা ও জেলা মিলিয়ে ৯ জায়গায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশি অভিযান। শুক্রবার সাতসকালে কসবা, চক্রবেড়িয়া, রয়েড স্ট্রিটে হানা ইডি (ED) আধিকারিকদের। এদিন কলকাতার চক্রবেড়িয়ায় এক ব্যবসায়ী ও রয়ে়ড স্ট্রিটে একটি হোটেল ও কসবায় এক পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের বাড়িতে তদন্তকারীরা অভিযান চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের (Shantanu Sinha Biswas) মুর্শিদাবাদের কান্দির বাড়িতেও হানা দিয়েছেন একদল ইডির অফিসার।
এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হেফাজতে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পু (Sona Pappu)। তাঁদের জেরা করেই একাধিক তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। এরপরই অ্যাকশন মোডে ED। পাপ্পু ঘনিষ্ঠ চক্রবেড়িয়ায় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির যোগসূত্র খুঁজে পাওয়ায় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলছে। রয়েড স্ট্রিটে একটি হোটেলেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে, ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি মালিককেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। জমি কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে শান্তনুর সঙ্গে সাব ইন্সপেক্টর রুহুল আমিন আলি শার যোগসূত্র খুঁজে পেয়ে, তাঁর কসবার বাড়িতে এদিন পৌঁছে গেছে তদন্তকারী দল।এই পুলিশকর্মী ডিসিপির স্ত্রীর ব্যবসায় পার্টনার বলেও খবর মিলেছে। রুহুল সম্প্রতি এসআই পোস্টে প্রমোশনও পেয়েছেন। কলকাতার পাশাপাশি জেলাতেও চলছে অভিযান। মুর্শিদাবাদের কান্দি পুরসভার ৮ ওয়ার্ডে শান্তনুর বাড়িতে সকাল ছটা নাগাদ হানা দেয় ইডি। অভিযুক্ত পুলিশ কর্তার বোন এই বাড়িতে থাকেন। কিন্তু প্রায় সাত দিন ধরে বাড়িটি তালা বন্ধ। এ দিন প্রায় ঘণ্টা দুয়েক অপেক্ষা করে তালা ভেঙে বাড়িতে ঢোকেন ইডির আধিকারিকরা।

–

–

–

–

–

–
