কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের(FIFA World Cup) মহোৎসবের অপেক্ষায় ক্রীড়াপ্রেমীরা। উত্তর আমেরিকার তিন দেশে ৪৮ দেশ নামছে কাপ জয়ের লড়াইয়ে। ফুটবল মাঠে ২২ জন ফুটবলার লড়াই করেন একটি বল নিয়েই। বিশ্বকাপের বলে আধুনিকতা এবং প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে আগেই, এবার সেটা আরও অত্যাধুনিক। ফুটবল প্রযুক্তিতে এটি একটি বড় বিপ্লব বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্রিওন্ডা (TRIONDA)বল কার্যত চতুর্থ রেফারির ভূমিকা নিতে চলেছে। অ্যাডিডাস ও ফিফা যে TRIONDA বল প্রকাশ করেছে তা রীতিমতো চোখ চমকে দেওয়ার মতো। এবার বল রেফারি বা সহকারী রেফারিদের কাজ সহজ করে দিচ্ছে। বলের ভিতরে রয়েছে ছোট্ট একটি মোশন সেন্সর চিপ। যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য পাঠাতে পারে। অর্থাৎ, বল কখন পায়ে লাগল, কত জোরে মারা হল, কোন দিকে ঘুরল—সমস্ত তথ্য জানা যাবে বলের ভিতরে থাকা চিপ থেকেই।

স্টেডিয়ামের ক্যামেরা সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই প্রযুক্তি উন্নত ৩ডি ট্র্যাকিংয়ের সুবিধা দেবে। এর ফলে ভিএআর প্রযুক্তি আরও কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অফসাইড, হ্যান্ডবল, গোললাইন বা বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রেফারিরা দ্রুত এবং আরও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। অফসাইড নয়, গোললাইন প্রযুক্তি, হ্যান্ডবল, ফাউল বা বলে কার স্পর্শ ছিল— এ সব বিষয়েও এই প্রযুক্তি রেফারিদের সাহায্য করবে।

নতুন এই বলের রয়েছে আরও একটি বড় বিশেষত্ব। ম্যাচ শুরুর আগে এটি চার্জ দিতে হবে। কারণ বলের ভিতরের সেন্সর ম্যাচের পুরো সময় কাজ করবে। পুরো চার্জ থাকলে প্রায় ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত এটি কাজ করতে পারবে।

বলটির ডিজাইনেও তিন দেশের পরিচয় রাখা হয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে তিনটি আলাদা রং— আমেরিকার জন্য নীল, কানাডার জন্য লাল এবং মেক্সিকোর জন্য সবুজ। তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রিওন্ডা’র দাম রাখা হয়েছে ১৭৫ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।

–

–

–
–
–
