আর জি কর মামলার (RG Kar Case) নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই (CBI)। তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুন মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ নিউটাউনের সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন। আপাতত এই ঘটনায় তাঁর ভূমিকা কী ছিল সেই নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তে নির্মল ঘোষের নাম বহুবার উঠে আসে। তরুণী চিকিৎসকের বাবা-মা-ও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এছাড়াও তরুণী চিকিৎসকের মা–বাবা অভিযোগ করে এসেছেন যে, তাঁদের না জানিয়ে, আপত্তি সত্ত্বেও এবং তাঁরা দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের জন্য বললেও তাতে কান না দিয়ে একপ্রকার জোর করেই তাঁদের মেয়ের দেহ তড়িঘড়ি দাহ করা হয়েছিল। তবে বুধবার সিবিআই অফিসারদের কাছে পানিহাটি শ্মশানের ইন–চার্জ যদিও বলেছেন তেমন কোন বিষয় নয়। ২০ মিনিটের বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

শ্মশানের ইন–চার্জ ভোলানাথ পাত্র জানিয়েছেন, যে সব দেহের ময়নাতদন্ত হয়, সেই দেহগুলো সাধারণত সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে চলে আসে। কিন্তু ৯ অগস্ট অভয়ার দেহ এসেছিল রাত ১১টায়। অভয়ার দেহের সঙ্গে তাঁর মা-বাবাও ছিলেন। তাঁদের একজনও আপত্তি করলে অভয়ার দেহ আগে দাহ করা হত না। তাঁরা কেউই কিছু বলেন নি। ফলে, অভয়ার মৃতদেহ আরও দু’টি দেহ দাহ করার আগে দাহ করা হয়। আরও পড়ুন: মেসিকাণ্ডে সাড়ে ৩ ঘণ্টা জেরা, অরূপকে ফের তলব পুলিশের

প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে পানিহাটি শ্মশানে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। মৃতার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। নির্যাতিতার মৃতদেহ তড়িঘড়ি দাহ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল আর এই ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নির্মল ঘোষ। হাসপাতাল থেকে দেহ বের করার সময়ও তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। সেই রাতে তিনি কেন শ্মশানে গিয়েছিলেন? কার নির্দেশে গিয়েছিলেন? গোটা প্রক্রিয়া চলাকালীন কী হয়েছিল? তাঁর কী ভূমিকা ছিল, এই নিয়ে একাধিক বিষয়ে নির্মল ঘোষকে প্রশ্ন করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

–

–

–

–

–
–
–
