প্রায় ২৩ দিন নিখোঁজ। পরিবারের উদ্বেগ, থানায় নিখোঁজ ডায়েরি এবং পুলিশের তদন্ত সব রহস্যের (Mysterious Death) শেষ হল বকখালির হেনরি আইল্যান্ড সংলগ্ন সমুদ্রতটে (The beach adjacent to Henry Island in Bakkhali)। সেখানকার বালির নীচ থেকে উদ্ধার হল রাবিয়া ফকির (Rabia Fakir) নামে এক বিবাহিত মহিলার দেহ। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর প্রেমিককে। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতের দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরেই দেহের সন্ধান মেলে। প্রাথমিকভাবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতাকেই ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মৃতা রাবিয়া ফকির বকুলতলা থানা এলাকার বাসিন্দা। গত ২৬ মে থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের তরফে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ (Police)। তদন্তে উঠে আসে এলাকারই বাসিন্দা তথা পেশায় চালক জহিরুল সরদারের (Zahirul Sardar) সঙ্গে রাবিয়ার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কথা। এরপর জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।

পুলিশের দাবি, জেরার সময় জহিরুল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। তার বয়ানের ভিত্তিতে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার দিন রাবিয়াকে সে বকখালিতে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, দুজনের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। পরে অভিযুক্তের দেখানো জায়গায় হেনরি আইল্যান্ড সংলগ্ন সমুদ্রতটে তল্লাশি চালিয়ে মাটির নীচ থেকে রাবিয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া দেহটি ময়নাতদন্তের (Post Mortem) জন্য পাঠানো হয়েছে। এই রহস্যে মৃত্যুর (Mysterious Death) প্রকৃত কারণ, মৃত্যুর সময় ও খুনের সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

–

–

–

–
–
–
